২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সহযোগীর মৃত্যুর বদলা নেব ॥ উদ্ধার করা রুশ পাইলট

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের বন থেকে উদ্ধার করা রুশ জঙ্গী বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন কনস্তানতিন মুরাখতিন তার কো-পাইলটের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে সে দেশে তার অভিযান অব্যাহত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তুর্কি হামলায় বিধ্বস্ত রুশ বোমারু বিমানের দুই পাইলটের মধ্যে একজন নিহত হলেও অপরজনকে সিরীয় সেনাবাহিনী উদ্ধার করে। এদিকে তিনি দাবি করেছেন, তারা যে তুরস্কের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছেন এ বিষয়ে তাদের সতর্ক করা হয়নি। কিন্তু ওই পাইলটের এমন দাবির পরই সতর্কবার্তার অডিও প্রকাশ করেছে তুরস্ক সেনাবাহিনী। খবর ডেইলি মেইল ও বিবিসির।

প্রকাশিত ওই বার্তাটিতে সীমানা লঙ্ঘনের বিষয়ে ইংরেজী ভাষায় ‘আপনাদের গতিপথ অবিলম্বে দক্ষিণমুখী করুন’ বলে সতর্ক করা হয়। তুরস্ক দাবি করেছে, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর এসইউ-২৪’র দুই পাইলটকে উদ্ধারে তারা সেখানে একটি উদ্ধারকারী দলও পাঠিয়েছিল। ওই দুই পাইলটের মধ্যে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল ওলেগ পেশকভকে স্থানীয় বিদ্রোহীরা গুলি করে হত্যা করে। ক্যাপ্টেন মুরাখতিন তাকে সিরিয়ায় থাকার অনুমতি দিতে তার কমান্ডারদের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন, যাতে তিনি তার সহযোগীর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে পারেন। সিরিয়ায় রুশ বিমান ঘাঁটি হেমেইমেমে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমি দ্রুত আবার মিশন শুরু করতে চাই। আমি আমার ক্যাপ্টেনকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে চাই। তিনি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছেন, তুর্কি এফ১৬ বিমানের পাইলটরা তাদের কোন ধরনের সতর্ক বার্তা দেয়নি যে তাদের বিমানে গুলি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, কোন সতর্ক বার্তা ছিল না, কোন ধরনের যোগাযোগ ছিল না। তুর্কিরা আমাদের সঙ্গে কোন ধরনের যোগাযোগ করেনি। যদি তারা আমাদের সতর্ক করতে চাইত, তাহলে এক কমান্ডারাল পথে উড়ে আমাদের দেখাতে পারত।

স্মৃতি ইরানির অফিসে ‘জ্ঞানের বাক্স’ উপহার ছাত্রীদের

দিল্লীর কিছু ছাত্রী তাদের হোস্টেলের নিয়ম-কানুনের নানা লিফলেট একটি বাক্সে ভরে তা উপহার হিসেবে ভারতীয় জনসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির অফিসে দিয়ে গেছেন।

ভারতে মেয়েদের স্বাধীনতা নিয়ে এই মন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের জন্য ‘জ্ঞান বাক্স’ দানের অভিনব এই প্রতিবাদ। খবর বিবিসির

সম্প্রতি মার্কিন সাংবাদিক টিনা ব্রাউনের সঙ্গে আলাপকালে, মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি বলেন, ভারতে মেয়েরা কি পরবে, কখন কার সঙ্গে কথা বলবে, তা নিয়ে এখন কারো আজ্ঞা শুনতে হয় না।

সাবেক টিভি অভিনেত্রী স্মৃতি ইরানি বর্তমানে বিজেপি মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী সদস্য। তার মন্ত্রণালয় ভারতের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক। সে কারণেই আরও তার এই বক্তব্য নিয়ে বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।

মহিলারা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, সমাজে মেয়েরা কিভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে, তা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী মনে হয় একেবারেই অজ্ঞ।

ভারত জুড়ে বাচ্চা থেকে শুরু করে সব বয়সের মেয়েদের এখনও উঠতে বসতে বাবার, ভাইয়ের না হয় স্বামীর, এমনকি শ্বশুর বাড়ির নির্দেশ মেনে চলতে হয়।

এখনও উত্তর ভারতের বহু গ্রামে মেয়েরা কোন পোশাক পরতে পারবে না, কার সঙ্গে কথা বলতে পারবে না-তা নিয়ে পঞ্চায়েত প্রকাশ্যে নির্দেশ জারি করে।

এমনকি এখনও বড় বড় শহরের হস্টেলেও মেয়েদের ওপর কড়া নজর রাখা হয়।