১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শ্বশুর ও গৃহবধূ খুন ॥ দুই লাশ উদ্ধার

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ পাবনায় জামাইয়ের ছুরিকাঘাতে শ্বশুর ও লালমনিরহাটে স্ত্রীকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। এ ছাড়া পার্বতীপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরী ও মৌলভীবাজারে চা-শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর নিজস্ব সংবাদদাতাদের।

পাবনা ॥ শালগাড়ীয়া মহল্লার উত্তর সরদার পাড়ায় জামাইর ছুরিকাঘাতে শ্বশুর মোজাফফর হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন শাশুড়ি রিজিয়া খাতুন। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে শ্বশুরের মৃত্যু হয়। মোজাফফর সাঁথিয়া উপজেলার বাউশগাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পাবনার শালগাড়িয়ায় দীর্ঘদিন সপরিবারে বসবাস করে আসছিলেন।

লালমনিরহাট ॥ বৃহস্পতিবার ভোরে জেলা সদরের কুলাঘাটে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ গোপনে দ্রুত দাফন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গ্রামটিতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, জেলা সদরের কুলাঘাট ইউনিয়নেরর শিবের কুটি বনগ্রামে মিজানুর রহমানের সঙ্গে ববিতা বেগমের আড়াই বছর পূর্বে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটি শিশু পুত্র রয়েছে। নানা অজুহাতে ও যৌতুকের জন্য মিজানুর তার স্ত্রীকে প্রায়ই নির্যাতন করে। এই নিয়ে বেশ কয়েক বার সালিশ হয়েছে। দুই দিন আগে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কলহের জের ধরে স্ত্রী ববিতাকে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। এমন কী নির্যাতনের ফলে গুরুতর অসুস্থ হলে চিকিৎসা পর্যন্ত করানো হয়নি। বৃহস্পতিবার ভোরে পুনরায় তাকে নির্যাতন করা হয়।

পার্বতীপুর ॥ বৃহস্পতিবার সকালে আদর্শ কলেজ পাড়ায় রিয়াদ ছাত্রাবাসের অভ্যন্তরে পরিত্যক্ত কূপ থেকে বুলবুলি (১৫) নামে এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সকাল ৯টায় ফায়ার সার্ভিসের ৬ সদস্যের টিম লাশটি উদ্ধার করে স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করেছে।

মৌলভীবাজার ॥ পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পর কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া সীমান্ত এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে রাধে শ্যাম (৩০) নামে চা-শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ফরিদগঞ্জে খাবারে বিষক্রিয়া, অসুস্থ ১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, চাঁদপুর, ২৬ নবেম্বর ॥ ফরিদগঞ্জে পাইকপাড়ার ইটভাঁটিতে ও চাঁদপুর গ্রামে পৃথক ঘটনায় খাবার গ্রহণ করে ১৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বর্তমানে তারা চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থরা হচ্ছে পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের গাজীপুর বাজারসংলগ্ন মিন্টুর ইটভাঁটির শ্রমিক সালাউদ্দিন (২২), মাহিন, জমসেদ, মাসুদ, কবির হোসেন, সোহেল, বাবুল, জুয়েল, সায়েদ, সাহিদা বেগম ও তার ছেলে মোঃ রহমান।

চাঁদপুর গ্রামের আবদুল মতিন, তার স্ত্রী আমেনা বেগম, কবির হোসেনের স্ত্রী শাহিনা বেগম ও ফয়সাল হোসেনের স্ত্রী রেহেনা আক্তার। ইটভাঁটি মালিক মিন্টু বেপারি জানান, শ্রমিকরা প্রতিদিনের মতো রাতে খাবারের পর ১১টার দিকে পর পর সকলেই বমি করে এবং মাথায় যন্ত্রণা নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়।

রাত পৌনে ১টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক এদের চিকিৎসা শুরু করেন। মিন্টু আরও জানান, তার কাছ থেকে স্থানীয় কিছু বখাটে যুবক চাঁদা দাবি করে। ধারণা করা হচ্ছে তাদের অজান্তে খাবারের সঙ্গে তারা নেশা জাতীয় কোন দ্রব্য মিশিয়ে দিয়েছে। অপরদিকে চাঁদপুর গ্রামের আহতদের আত্মীয় তাজুল ইসলাম জানান, বুধবার দুপুরে মুরগির মাংস ও লালশাক দিয়ে ভাত খাওয়ার পরপরই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন।