২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঝলক

এবার লাইফাই

আস্ত একটা ফিল্ম ডাউনলোড হবে নিমিষেই। মাত্র কয়েক সেকেন্ডে। থ্রি-জি তো দেশে চালুই। ফোর-জি, ফাইভ-জি, না সিক্স-জি আসল যে এটা সম্ভব হবে! নিশ্চয়ই এত দ্রুত ডাটা স্পিড নিয়ে জি-কেন্দ্রিক চিন্তাই ঘুরপাক খাচ্ছে। না কোন ‘জি’ নয়, এই অভূতপূর্ণ ডাটা স্পিড সম্ভব করে তুলবে লাই-ফাই (খর-ঋর)।

ওয়াই-ফাই (ডর-ঋর) সম্পর্কে সবাই কমবেশি ওয়াকিফহাল। ওয়াই-ফাইর রাজ-সিংহাসনে হানা দিতে চলেছে লাই-ফাই। লাই-ফাই হবে ওয়াই-ফাইর সুপারফাস্ট বিকল্প। বর্তমান ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি থেকে শতগুণ দ্রুত।

প্রযুক্তিটি পরিকল্পনা স্তরে নয়, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষিত, হাতেনাতে প্রমাণিত। যার হাত ধরে এই সুপার ডেটা স্পিড প্রযুক্তির আবিষ্কার তিনি পেশায় অধ্যাপক। নাম হ্যারল্ড হাস। স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যপনা করেন।

তিনি ২০১১ সালেই এই প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। তাঁর ব্যাখ্যায়, লাই-ফাই হলো বিশেষ ধরনের এক আলো। নির্গত রশ্মির মধ্য দিয়ে তথ্য যায় বাতাসে ভর করে। ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কে এই আলোকে কাজে লাগিয়েই ডেটা আদান-প্রদান হয়ে থাকে।

এতদিন পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রযুক্তি ব্যবহার হয়ে আসছিল। ইন-ফ্লাইট যোগাযোগ রাখা হচ্ছিল লাই-ফাইকে কাজে লাগিয়ে। এমনকি গোয়েন্দারা এই উচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন ক্ষেত্র বিশেষে।

ম্যালেরিয়া ঠেকাবে মশা!

ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ানোর জন্য দায়ী যে মশা, এবার সেই পতঙ্গটিকে এই রোগ ঠেকানোর কাজে লাগাতে চাইছেন বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা এক ধরনের জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (জিএম) মশা উদ্ভাবন করেছেন, যা ম্যালেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গবেষণাগারে যে কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে, তা মাঠ পর্যায়ে কাজে এলে মশার কামড়ে মানবদেহে ম্যালেরিয়ার পরজীবী ছড়িয়ে পড়া বন্ধ হবে।

জিন এডিটিং পদ্ধতি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা মশার ডিএনএ-তে একটি নতুন ধরনের জিনের প্রবেশ ঘটিয়েছেন। এই নতুন জিএম মশা অন্য মশার সঙ্গে মিশে বংশবিস্তার করলে তখন ওই মশাগুলোও একই ধরনের প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে জন্মাবে। ফলে এসব মশা মানুষকে কামড়ালেও ম্যালেরিয়ার পরজীবী মানবদেহে ছড়াবে না। ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের দাবি, জেনেটিক্যালি মডিফায়েড মশারা ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।

শাহরুখ-আমিররা সাপ!

বিজেপির শাসনে ভারতের বহুত্ববাদ নানা প্রশ্নবাণে বিদ্ধ। ২০১৪ সালে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ক্ষমতার আসার পর থেকে দেশটিতে অসহিষ্ণুতার পালে যে হাওয়া লেগেছে তা যেন আর থামছেই না। অভিযোগ যে শুধু বিরোধী রাজনৈতিক শিবির থেকে উঠছে তা নয়। এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিল্পী-সাহিত্যিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ইতিহাসবিদ থেকে বিজ্ঞানী এমনকি বহির্বিশ্বের নানা দেশ ও নেতৃত্ব। তারা উদ্বেগ জানাচ্ছেন। খেতাব-পদ ত্যাগ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেক শিল্পী-সাহিত্যিক-বিজ্ঞানী। দেশের ভিতর থেকেই প্রতিবাদ হচ্ছে নানা উপায়ে। এর সর্বশেষ সংযোজন বলিউড মহাতারকা আমির খানের উদ্বেগ প্রকাশ।

সোমবার দিল্লীর এক অনুষ্ঠানে আমির খান ভারতজুড়ে অসহিষ্ণুতার বাতাবরণ নিয়ে স্ত্রীর আতঙ্কের কথা জানান। দেশ ছেড়ে অন্য কোথাও যাওয়া উচিত কিনা- আমির-পতœী কিরণ রাওয়ের ভাবনায় এই শঙ্কাও উঁকি দিয়েছে।

আমিরের এই মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় দেশটির রাজনৈতিক ময়দান থেকে সোশ্যাল মিডিয়া। কেউ আমিরের পক্ষে সওয়াল করছে, কেউ করছে বিপক্ষে। বিজেপির নেতৃত্ব আমিরকে এক হাত নিচ্ছে। এমনকি পাকিস্তান চলে যাওয়ার নিদান দিচ্ছে কেউ কেউ।

চাপান-উতোর থামছেই না। এরই মধ্যে মহারাষ্ট্রের পরিবেশ মন্ত্রী ও শিবসেনা নেতা রামদাস কদম করে বসেন বেফাঁস মন্তব্যÑ ‘দিলীপ কুমার থেকে শাহরুখ খান এবং আমির- এঁদের প্রত্যেককে আমরা প্রচুর ভালবাসা দিয়েছি। কিন্তু তাঁরা যে সব মন্তব্য করেন, তাতে মনে হয় আমরা সাপ পুষেছি।’ বলিউডের মহাতারকাকে নিয়ে মন্ত্রীর এই মন্তব্যে হতচকিত বিভিন্ন মহল।

আমির অবশ্য বিবৃতি দিয়ে অসহিষ্ণুতার বিপক্ষে তাঁর অবস্থান তুলে ধরেছেন। আমিরের সাফ কথা, নিজ দেশ ছেড়ে যাওয়ার বাসনা তাঁর কোনদিন ছিল না। এখনও নেই। তিনি জবাব দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথের চিত্ত যেথা ভয় শূন্য/উচ্চ যেথা শির কবিতাটি উদ্ধৃত করে।