২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আজব হলেও গুজব নয়

কারারক্ষী যখন কুমির

কারারক্ষীর ভূমিকা পালন করবে কুমির! বিস্ময়কর হলেও এমনই ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার মাদকবিরোধী সংস্থার প্রধান বুদি ওয়াসেসো। তিনি বলেন, অনেক সময় কুমির মানুষের চেয়ে ভালভাবে পাহারা দিতে পারে, কারণ এদের ঘুষ দেয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, একটি দ্বীপ-কারাগার বানানোর পর আমরা যত বেশি সম্ভব কুমির সেখানে রাখব। সেখানে থাকবে মাদক বিক্রি কিংবা চোরাচালানের দায়ে মৃত্যুদ-ে দ-িত ব্যক্তিরা। ওয়াসেসো আরও বলেন, ‘আপনি কুমিরকে ঘুষ দিতে পারবেন না। আপনি বন্দীদের পালাতে দিতে এদের বলতে পারবেন না।’ দ্বীপ-কারাগার বানানোর পরিকল্পনাটি অবশ্য এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে।

উপহার দিন গৃহকর্মী

বিভিন্ন উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে স্ত্রীকে উপহার দেয়ার প্রচলন বহুদিনের। কিন্তু,শহরের ব্যস্ততার জীবনে ঘর সামলাতে অনেকেই এখন গুরুত্ব দিচ্ছেন গৃহকর্মীকে। গৃহকর্মী বিষয়ক একটি সেøাগান উঠে এসেছে ভারতের আলোচনা-সমালোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে। ভারতের একটি অনলাইন বিজ্ঞাপনে সেই বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘হীরা মূল্যহীন। আপনার স্ত্রীকে গৃহকর্মী উপহার দিন।’ বিজ্ঞাপনটির একপাশে স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ছবি অন্যপাশে সুসজ্জিত একজন গৃহকর্মীর ছবি।

বুক মাই বাই (গৃহকর্মী বুক করুন) নামের একটি ওয়েবসাইট থেকে দেয়া বিজ্ঞাপনটি এরই মধ্যে ভারত জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় তুলেছে। অনেকেই বিজ্ঞাপনটিকে ‘দাসত্বের বিজ্ঞাপন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই ওয়েবসাইটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অনুপম সিনহাল দাবি করেন, কাউকে আঘাত কিংবা ছোট করার জন্য এ বিজ্ঞাপন দেননি। হালকাভাবে এই বিজ্ঞাপন তুলে ধরা হয়েছে। বিজ্ঞাপন নিয়ে এই ওয়েবসাইট এর আগেও বিতর্ক তৈরি করছিল।

হাত ধরলেই বিপদ

চীনের চাংশা শহরের জিলিন বিশ্ববিদ্যালয়ে জারি করা হয়েছে নতুন আচরণবিধি। বিধি অনুযায়ী ছাত্রছাত্রীদের একে অপরের হাত ধরা এবং একই চামচ দিয়ে একে অপরকে খাওয়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের দাবি, এই নিষেধাজ্ঞা ছাত্রদের সভ্য হয়ে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। তবে নতুন এই বিধিনিষেধ জারি করে বিশ্ববিদ্যালয়টি চীনের সংবাদমাধ্যমে হাসির পাত্রে পরিণত হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু নির্দিষ্ট জায়গার জন্য এই বিধি প্রযোজ্য। বিশেষ করে ক্যান্টিন এবং সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো স্থানসমূহ। এতে ছাত্ররা কিছুটা ক্ষুব্ধ। এক ছাত্র বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে এসে এ রকম নিয়ম সত্যিই আজব। একজন প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে আমরা কখনোই প্রকাশ্যে এসব কাজ করার সাহস করতে পারি না। এটি একটি অপ্রোয়জনীয় নিষেধাজ্ঞা।

সাত-সতেরো প্রতিবেদক