২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

খ্রীস্টান-মুসলিম সংলাপ শান্তির জন্য জরুরী ॥ পোপ

পোপ ফ্রান্সিস বলেছেন, শান্তির জন্য খ্রীস্টান ও মুসলিমদের মধ্যে সংলাপ হওয়া অত্যন্ত ‘জরুরী’। আফ্রিকায় ভ্রমণের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার তিনি নাইরোবিতে এক সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তিনি বলেছেন, ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ‘বর্বর’ আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার জন্য খ্রীস্টান ও মুসলিমদের মধ্যে সংলাপের বিকল্প খুব বেশি কিছু নেই। Ñখবর ইয়াহু নিউজের

কেনিয়ায় এসে বৃহস্পতিবার নাইরোবি ইউনিভার্সিটির বৃষ্টিস্নাত ক্যাম্পাসে প্রথম প্রকাশ্য জন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। সমাবেশে হাজার হাজার লোক অংশগ্রহণ করে। কেনিয়ার শিল্পীরা ঐহিত্যবাহী গান ও নৃত্য পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পোপকে বরণ করে নেয়। পোপ একদিক খোলা গাড়িতে করে সমাবেশে উপস্থিত হন। পোপ বলেন, সহিংসতাকে বৈধতা দিতে ধর্মের ব্যবহার কাম্য নয়। তিনি বলেন, ‘প্রায়ই দেখা যায় সামাজিক বন্ধন ও মানবিক সম্প্রীতি নষ্ট করতে সমাজে ভীতি ছড়াতে শিশু কিশোরদের ধর্র্মীয় চরমপন্থায় দীক্ষিত করে তোলা হচ্ছে।’ তিনি বলছেন, মুসলিম খ্রীস্টানদের মধ্যে আন্তঃধর্মীয় আলোচনা এখন আর কোন কল্পনা বিলাস নয় বরং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একান্ত প্রয়োজন। সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশ উগান্ডা মূলত খ্রীস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ। তবে দেশটির জনসংখ্যার ১০ শতাংশ মুসলিম।

পোপের নিরাপত্তার জন্য ১০ হাজার পুলিশ নিয়োজিত ছিল। ভারি বৃষ্টি উপেক্ষা করে লোকজন ভোর রাত ৩টা থেকে অনেকে এসে ক্যাম্পাসে উপস্থিত শুরু করেছিল। কেউ কেউ ৩ কিলোমিটার পথ হেঁটে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়।

পোপের বক্তৃতা শুনতে ভোর ৫টা থেকে ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছিলেন ২৯ বছর বয়সী নেলি এনডুঙ্গা। তিনি বলেন, ‘আমি একজন ক্যাথলিক। এখানে পোপের আগমন ঈশ্বরের আশীর্বাদ।’ নেলির প্রিন্টিং ব্যবসা রয়েছে।

সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশে যৌনতাকে ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র ॥ খামেনি

ইরানের নীতিনির্ধারক অভিজাত শ্রেণীর মধ্যে সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশ ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র যৌনতা, অর্থ এবং পশ্চিমা জীবনধারাকে ব্যবহার করছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বুধবার এই অভিযোগ করেছেন। খবর ওয়েবসাইটের।

ইরানে সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের ব্যাপকহারে ধরপাকড়ের ঘটনার মধ্যেই খামেনি এই কথা বললেন। দেশটিতে সর্বোচ্চ এই ধর্মীয় নেতার কথাই শেষ কথা। সম্প্রতি বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে দেশটি একটি পরমাণু চুক্তি করেছে।

এরপর থেকে তেহরানের কর্তৃপক্ষের মধ্যে অভিজাত নীতিনির্ধারক শ্রেণীর মধ্যে পশ্চিমা সংস্কৃতি বা ভাবধারার অনুপ্রবেশের আশঙ্কার সৃষ্টি হয়। আর এ থেকেই ব্যাপকভাবে ধরপাকড় অভিযান শুরু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে খামেনি বলেন, ‘সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশের জন্য দুটি প্রধান বিষয় ব্যবহার করা হয়: অর্থ এবং যৌন আকর্ষণ। বিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি এবং জীবনধারা পাল্টে দেয়ার জন্য তারা এসব ব্যবহার করছে যেন আক্রান্ত ব্যক্তি মার্কিনীদের মতো করেই চিন্তা করে।’