২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নীলোপল অদ্রির যোগদানপত্র গ্রহণ করতে বুয়েটকে হাইকোর্টের নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নারী শিক্ষক নীলোপল অদ্রির যোগদানপত্র গ্রহণ করতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) নির্দেশ দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ওই শিক্ষকের যোগদানপত্র গ্রহণ করতে বলা হয়েছে রায়ে। নীলোপল অদ্রির দায়ের করা রিট আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি শেষে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।

নিয়োগপত্র দেয়ার পরেও শিক্ষক হিসেবে বুয়েটে যোগদান করতে না দেয়ায় হাইকোর্টের দারস্থ হন নীলোপল অদ্রি। ওই সময় এই নারী শিক্ষকের বিষয়টি নিয়ে জনকণ্ঠে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনগুলো সংযুক্ত করে নীলোপল অদ্রি হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন। এর পর গত ১২ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রুলে নিয়োগপত্র দেয়ার পরেও নীলোপল অদ্রিকে শিক্ষক হিসেবে বুয়েট যোগদান করতে না দেয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই আদেশে ওই পদে নিয়োগের জন্য নতুন করে দেয়া বিজ্ঞপ্তিও স্থগিত করেন আদালত। আদালতে নীলোপল অদ্রির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক।

গত ১৩ মার্চ দৈনিক জনকণ্ঠে ‘বুয়েটে নিয়োগ পেয়েও যোগ দিতে পারছে না শিক্ষক নীলোপল অদ্রি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। জনকণ্ঠের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়োগ পরীক্ষা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর অদ্ভুত এক দাবি তুলে বিভাগীয় চেয়ারম্যান বলছেন, শিক্ষকের বিষয়ে আপত্তি আছে। কারণ সে সাধারণ মানের শিক্ষক। অথচ পরীক্ষার সময় নিয়োগ কমিটির সকল সদস্যের মতো এ চেয়ারম্যানও ওই প্রার্থীকে মেধা ও যোগ্যতার কারণে নির্বাচন করেছেন। নিয়োগে জটিলতা বাঁধানোর আশায় বিশেষ একটি গ্রুপ এখন ওই প্রার্থীকে ‘নন বুয়েটিয়ান’ (গ্রাজুয়েট অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে) বলে প্রচার করছে।

বুয়েট সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগ পরীক্ষায় প্রার্থী উত্তীর্ণ হওয়াসহ সকল প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পর বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ শাকিল আখতার অদৃশ্য কারণে প্রার্থীর যোগদানপত্র গ্রহণে আপত্তি শুরু করেন। অথচ আজ পর্যন্ত এর কোন যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। যার নেই কোন আইনগত ভিত্তিও।