২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে আন্দোলনের আহব্বান

স্টাফ রিপোর্টার ॥ পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা বলেছেন, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সরকার সম্পূর্ণ বন্ধ রেখেছে। এজন্য এই চুক্তি বাস্তবায়নে দেশের গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল-সংগঠনের আন্দোলনের নামতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ১৮তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর সুন্দরবন হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সময়সূচি-ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান সন্তু লারমা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জুম্ম জনগণ তাদের জাতীয় অস্তিত্ব ও আবাসভূমি সংরক্ষণের স্বার্থে আত্মবলিদানে ভীত না হয়ে যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে বদ্ধপরিকর। আর যেকোনও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য শাসকগোষ্ঠীই দায়ী থাকবে। তবে জনসংহতি সমিতি আশা করে, সরকার তথা দেশের শাসকগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামের এই বাস্তবতাকে সম্যকভাবে অনুধাবন করে রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দেবে।

জনসংহতি সমিতির সভাপতির অন্য দাবিগুলোর মধ্যে জুম্ম-অধ্যুষিত অঞ্চলে বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণের জন্য আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ, ‘সেটেলার বাঙালিদের’ পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে সম্মানজন পুনর্বাসন, চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাঙামাটি মেডিক্যাল কলেজের কার্যক্রম স্থগিত করা ইত্যাদি।

সংবাদ সম্মেলনে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ২ ডিসেম্বর বুধবার সকাল ১০টায় রাঙামাটি জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গণে গণসমাবেশ করার কর্মসূচি ঘোষণা করেন সন্তু লারমা।