২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কলোরাডোয় ক্লিনিকে গুলি, পুলিশসহ নিহত ৩

যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোয় একটি ক্লিনিকে ঢুকে গুলি চালিয়ে তিনজনকে হত্যা করেছেন এক ব্যক্তি। স্প্রিংস শহরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এই হামলায় আহত হয়েছেন নয়জন। নিহতদের মধ্যে একজন পুলিশ সদস্য। আহতদের পাঁচজনও পুলিশের কর্মকর্তা। ক্লিনিক থেকে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। খবর ইয়াহু নিউজের।

কী কারণে প্ল্যানড প্যারেন্টহুড ক্লিনিকে এই হামলা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ওই ক্লিনিকে জন্ম নিয়ন্ত্রণে গর্ভপাত করা হতো। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্ল্যানড প্যারেন্টহুড গ্রুপের প্রায় ৭০০ ক্লিনিক ও ৫৯টি সহযোগী সংগঠন রয়েছে। গর্ভপাতবিরোধীরা অনেকদিন ধরেই এ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে। নিহত পুলিশ কর্মকর্তার নাম গ্যারেট সসে (৪৪)। ঘটনার পর হাসপাতালের সঙ্গে সবগুলো সংযোগ সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে ‘ক্রিটিকাল রেসপন্স ভেহিক্যাল’ মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতালের নিকটবর্তী একটি সেলুনের ম্যানেজার ডেনিস স্পেলার বলেন, ঘটনা শুরুর ৫ মিনিটের মধ্যে তিনি কমপক্ষে ২০টির গুলির শব্দ শুনতে পান। এ সময় দুই পুলিশ সদস্যকে দেখতে পাই, যাদের একজন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। অন্যজন আহত সদস্যকে পুলিশ ভ্যানের পেছনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। ঘটনার পর প্ল্যানড প্যারেন্টেডহুড ক্লিনিক জানিয়েছে, হাসপাতালই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কি না, তা তারা নিশ্চিত হতে পারেননি।

আরও শরণার্থী নিন ॥ উপসাগরীয় দেশগুলোকে ভালস্

ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী ম্যানুয়েল ভালস সিরিয়া থেকে পালিয়ে আসা আরও শরণার্থী গ্রহণে উপসাগরীয় দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইউরোপ তাদের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে বলকান অঞ্চলে ‘মানবিক বিপর্যয়’ ছড়িয়ে পড়তে পারে। খবর এএফপির।

ভালস শুক্রবার সন্ধ্যায় বলেন, আমি আবার বলছি, ইউরোপ সিরিয়া থেকে আসা সব শরণার্থীকে গ্রহণ করতে পারে না। এ কারণে সিরিয়ায় কূটনীতিক, সামরিক ও রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন। প্যারিসের উপকণ্ঠ এভরির বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি, প্রত্যেক দেশ বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোকে ভূমিকা পালন করতে হবে। আলোচনাকালে হামলার প্রতিক্রিয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। দুই সপ্তাহ আগে প্যারিসে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয়। সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ লাখ লোক দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তাদের বেশিরভাগই পার্শ্ববর্তী দেশ লিবিয়া, জর্দান ও তুরস্কে গেছেন।