১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভালুকায় আ’লীগের ৭ বিএনপির দুই সম্ভাব্য প্রার্থী

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভালুকা, ময়মনসিংহ ॥ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভালুকা পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রচারে নেমে পড়েছেন জোরেশোরে। দলীয়ভাবে প্রার্থী ঘোষণা না হওয়ায় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা দলের সমর্থন পেতে সিনিয়র নেতাদের সমর্থন আদায়ে নানা তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। পাড়া-মহল্লার ছোট বড় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সবার সহযোগিতা ও দোয়া চাইছেন প্রার্থীরা। ভোটারদের আগাম সমর্থন আদায়ে ঘরোয়া বৈঠকও চলছে হরদম।

আ’লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে যারা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন তারা হলেন, বর্তমান মেয়র ও ভালুকা উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডাঃ একেএম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ূম, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহ্বায়ক তরুণ সমাজসেবক শিল্পপতি ও সাংবাদিক সাদিকুর রহমান তালুকদার, ময়মনসিংহ জেলা পূজা উদ্্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট রাখাল চন্দ্র সরকার, প্রবীণ শিক্ষক ওমর ফারুক, আ’লীগ নেতা মুঞ্জুরুল হক তালুকদার, হাজী রুহুল আমীন ও নজরুল ইসলাম মানিক। তবে দলীয় মনোনয়নের ব্যাপারে বর্তমান মেয়র ডাঃ একেএম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ূম ও তরুণ সমাজসেবক সাদিকুর রহমান তালুকদার এগিয়ে রয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়।

এদিকে বিএনপি থেকে দলীয় দুই সম্ভাব্য প্রার্থীর মাঝে একজন হলেন, ভালুকা পৌরসভায় পর পর দুইবার নির্বাচিত সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সম্মানিত সদস্য আলহাজ মফিজ উদ্দিন সরকার। তিনি গত পৌর নির্বাচনে বর্তমান মেয়র ডাঃ একেএম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ূমের কাছে পরাজিত হন। বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী অপর প্রার্থী হলেন- ভালুকা সদর ৬ নম্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক তরুণ সমাজসেবক আলহাজ হাতেম খান।

এদিকে মেয়র প্রার্থীদের পাশাপাশি সম্ভাব্য কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীরাও সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন কৌশলে তাদের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

তানোরে প্রার্থী বাছাইয়ে বিএনপির দুই পক্ষের হাতাহাতি

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ তানোর পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী বাছাই করাকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের উপস্থিতিতে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর পৌর শাখা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে বৈঠক থেকে বের হয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, তানোর পৌরসভার বিএনপির মেয়র পদে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য রাতে ডাকবাংলো চত্বরে বিএনপির বৈঠক আহবান করেন সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক। ওই বৈঠকে তিনি মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহীদের নাম চান। এ সময় চারজনের নাম প্রস্তাব আসে। এরা হলেন বর্তমান মেয়র ফিরোজ সরকার, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি বিশ্বনাথ সরকার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুনসুর রহমান ও উপজেলা যুবদল সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান।

পরে চারজনের মধ্যে কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের (সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক) ২৭ জনের লিখিত মতামত চান ব্যারিস্টার আমিনুল হক।

এ সময় এর প্রতিবাদ জানিয়ে পৌরসভা বিএনপির সভাপতি বিশ্বনাথ সরকার জানান ওয়ার্ড কমিটির ২৭ জনের সঙ্গে পৌরসভা কমিটির ১০১ সদস্যেরও মতামত নিতে হবে। এ সময় বৈঠকে হট্টগোল শুরু হলে আমিনুল হক সবাইকে শান্ত করেন। পরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেক দলের সাধারণ সম্পাদক শরিয়তউল্লাহ দাঁড়িয়ে আমিনুল হকের সিদ্ধান্তের পক্ষে বক্তব্য শুরু করলে বিশ্বনাথের সমর্থকরা আবার হট্টগোল শুরু করে। এক পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।