২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি রুটে লঞ্চ-ফেরি সংঘর্ষ, আহত ৬

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটের বাংলাবাজারের কাছে লঞ্চ ও ফেরির সংঘর্ষে ছয় যাত্রী আহত হয়েছে। অল্পের জন্য লঞ্চডুবির হাত থেকে বেঁচে যায় এমভি পদ্মা-৩ । শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে এ ঘটনায় লঞ্চের ছয় যাত্রী নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়লেও তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে শান্তি বেগম (২৫), শাহিদা বেগম (৪০) ও মোবারককে (২৭) স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তবে এই দুর্ঘটনা সম্পর্কে ফেরি ও লঞ্চ একে অপরকে দায়ী করছে।

মাওয়া নদীবন্দর কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন জানান, লঞ্চটি চর জানাজাত ঘাট থেকে শিমুলিয়ায় আসছিল প্রায় দেড় শ’ যাত্রী নিয়ে। পথিমধ্যে কাওড়াকান্দিগামী ফেরি রায়পুরা’র সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় লঞ্চের কয়েক যাত্রী ছিটকে নদীতে পড়ে যায়। তারা সামান্য আহত হলেও তাদেরকে সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করা হয়। অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় যাত্রীরা। লঞ্চ ও ফেরির মারাত্মক কোন ক্ষতি হয়নি। লঞ্চটি রাত ৮টার দিকে মাওয়া ঘাটে এসে পৌঁছেছে। এ সময় লঞ্চের যাত্রীরা জানান, ফেরি ও লঞ্চ দুটি বিপরীত দিকে যাচ্ছিল। চালকদের ভুল বোঝাবুঝির কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। লঞ্চটি কাঁঠালবাড়ি ঘাটে থামিয়ে আহত যাত্রীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোশারফ হোসেন জানান, লঞ্চযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুর্ঘটনাস্থল শিবচর থানা এলাকায়। সেখানেই এ ব্যাপারে মামলা হবে।

তবে এ দুর্ঘটনা সম্পর্কে বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের ম্যানেজার গিয়াস উদ্দিন পাটুয়ারী বলেন, টানা ফেরি যায়পুরা বার বার সতর্ক সংকেত দেয়ার পরেও লঞ্চটি ফেরিটির ডান পাশ দিয়ে উঠিয়ে দেয়। এতে ফেরিটি মোট বা নোঙ্গর করার যন্ত্র ভেঙ্গে গেছে। অল্পের জন্য ফেরিতে থাকা ট্রাক নদীতে পড়েনি। এ সময় দুই জন যাত্রী নদীতে পড়ে গেলেও পেছনে থাকা সিবোর্ট তাদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

অপর দিকে লঞ্চের পদ্মা-৩ লঞ্চের মাস্টর আব্দুল খালেক দাবি করেছেন, লঞ্চ সংকেত দেয়ার পরেও ফেরিটি তা তোয়াক্কা করেনি। এ কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে।