২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জলঢাকায় বিএনপির সঙ্গে নেই জামায়াত

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ বিএনপির সঙ্গে জোট বেধে ২০ দলের পৌর নির্বাচনে অংশগ্রহণে কেন্দ্রীয়ভাবে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে মাঠ পর্যায়ে মেয়র প্রার্থীরা বসে নেই। এদিকে ২০ দলের শরিক জামায়াত যে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছে তার প্রমাণ মিলেছে। জলঢাকা জামায়াতের পৌর আমির মকবুল হোসেন নির্বাচন তফসিল ঘোষণার পর ২৬ নবেম্বর উপজেলা নির্বাচন অফিসে সশরীরে হাজির হয়ে মনোনয়নের ফরম হাতে নিয়েছেন। জামায়াতের মেয়র এই প্রার্থী বলেছেন পৌর নির্বাচন জোটগতভাবে তারা করবে না। জামায়াতের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচন করতে হবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। তাই তিনি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

এদিকে বিএনপির উপজেলা সভাপতি ফাহমিদ ফয়সাল কমেট চৌধুরী বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। দলের নির্দেশ পেলেই তিনি জলঢাকা পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদের প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করবেন। জলঢাকায় বিএনপি ও জামায়াতের এই পরিস্থিতি থাকলেও আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ায় দলীয়ভাবে মেয়র প্রার্থী কে হচ্ছেন তা অনিশ্চিত অবস্থায় ঝুলছে। তার ওপর জলঢাকা পৌরসভার বর্তমান মেয়র জাতীয় পার্টির নেতা ইলিয়াস হোসেন বাবলু হঠাৎ করে গত ২৫ নবেম্বর রাতে উপজেলা কৃষকলীগে যোগদান করেন। ফলে আওয়ামী লীগের দলীয় মেয়র প্রার্থিতা কোন মেরুর দিকে ধাবিত হচ্ছে তা দলীয় নেতাকর্মীদের ভাবিয়ে তুলছে।

বর্তমান মেয়র গত নির্বাচনে মহাজোটের একক প্রার্থী ছিলেন। এখানে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে যারা মাঠে নেমে পড়েছে তাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্বাহী সদস্য ও বর্তমান জলঢাকা উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর, উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ স¤পাদক শাহিনুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক একে আজাদ ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সারোয়ার হোসেন সাদের। আবার মহাজোটের শরীর দল জাসদ (ইনু) পক্ষে এখানেও মেয়র প্রার্থী নিশ্চিত করেছে জেলা জাসদের সভাপতি অধ্যাপক আজিজুল ইসলাম। তিনিও প্রচারে মাঠে রয়েছেন। এদিকে জলঢাকা পৌরসভার নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে ৯টি ওয়ার্ড। সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলার প্রার্থীরা প্রচার তুঙ্গে রেখেছে।