২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

৩ লাখ নতুন করদাতা শনাক্তে দেশব্যাপী আয়কর জরিপ শুরু

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রায় সাড়ে ৩ লাখ নতুন করদাতা শনাক্তকরণে দেশব্যাপী চলছে আয়কর জরিপ কার্যক্রম-২০১৫। জাতীর রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর অনুবিভাগের আওতায় দেশে ৩১টি কর অঞ্চলে একযোগে এ জরিপ কাজ শুরু হয়েছে। আর এই জরিপ কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রতিটি কর অঞ্চলের কমিশনাররা।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করা শর্তে এনবিআরের একটি উর্ধতন সূত্র জানায়, প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার নতুন করদাতা শনাক্তের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ২৪ নবেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের ৩১টি কর অঞ্চলে কর জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন কর কমিশনাররা। আর বোর্ড কর জরিপে দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের সার্বিক বিষয়টি তদারকি করছে। কর কমিশনারের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের দল মাঠপর্যায়ে করদাতা শনাক্তে জরিপ কাজ চালাচ্ছে। করদাতাদের দরজায় গিয়ে তারা তথ্য যাচাই-বাচাই করছেন। যে সকল মানুষ কর প্রদানে সক্ষম বা করযোগ্য আয় রয়েছে কিন্তু কর দেন না, তাদের তাৎক্ষণিক ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ই-টিআইএন) দেবেন জরিপ পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে নতুন ই-টিআইএন দেয়া করদাতাকে নিয়ম অনুযায়ী চলতি বছরের আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। এ জন্য তাদের নজরদারির মধ্যে রাখবেন সার্কেলের কর কর্মকর্তারা। সূত্র জানায়, প্রতিটি কর অঞ্চল আলাদাভাবে নিজ নিজ অঞ্চলে জরিপ কাজ চালাবে। জরিপ পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে ব্যবসা ও চাকরি স্থলে গিয়ে হানা দেবেন। এ সময় জাতীয় পরিচয়পত্র, ট্রেড লাইসেন্সসহ অন্যান্য সব প্রাসঙ্গিক তথ্য ও দলিলপত্র জরিপ পরিচালনাকারী টিমকে সরবরাহ করতে হবে। তবে কেউ যদি জরিপ কাজে বাধা দেয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় ব্যবস্থা নেয়ারও ক্ষমতা থাকবে কর কর্মকর্তাদের। ব্যবসা ও গৃহ-সম্পত্তির আয় রয়েছে এমন নাগরিকরা চাকরি কিংবা যে কোন পেশায় নিয়োজিত সম্মানিত নাগরিকদের জরিপ টিমের সদস্যকে জাতীয় পরিচয়পত্র, ট্রেড লাইসেন্সসহ অন্যান্য তথ্য ও দলিলাদি প্রদান করে প্রয়োজনীয় সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বলেছেন, ‘চলতি কর বর্ষের বিরাট অঙ্কের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এনবিআর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে। আমরা চাই কর না বাড়িয়ে করের আওতা বাড়াতে।