২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চ্যালেঞ্জ সকলের ॥ দলীয় প্রতীকে দেশে প্রথম পৌর ভোট

চ্যালেঞ্জ সকলের ॥ দলীয় প্রতীকে দেশে প্রথম পৌর ভোট
  • দাবি নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং জাপা ইসিতে ;###;নির্বাচন পেছানোর কোন সুযোগ নেই

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ জমে উঠেছে তৃণমূলের রাজনীতি। দীর্ঘদিন পর ফের মুখোমুখি দেশের বৃহৎ দুই দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগ। তবে এই মুখোমুখি আন্দোলনের মাঠে নয়, জাতীয় নির্বাচনের আগে ‘নৌকা ও ধানের শীর্ষ’ প্রতীক নিয়ে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে প্রাক জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে প্রধান এই দুই রাজনৈতিক দল। প্রাক-নির্বাচনী কৌশল নিয়ে দু’পক্ষই রাজনীতির মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পিছিয়ে নেই অন্যান্য রাজনৈতিক দলও। একমাত্র নিবন্ধন হারানো যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াত ছাড়া ক্রিয়াশীল প্রায় সকল দলই নিজ নিজ মার্কা নিয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে মাঠে নামছে। দু’দলের মুখোমুখি অবস্থানে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিও নির্বাচন কমিশন।

এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় বড় রাজনৈতিক দলগুলো আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ‘চ্যালেঞ্জ’ হিসেবেই নিয়েছে। অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়া বিএনপি চাইছে পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদের ভেঙ্গে যাওয়া মনোবলকে ফের চাঙ্গা করে তুলে ঘুরে দাঁড়াতে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের টার্গেট হচ্ছে-নৌকার পালে জোয়ার তুলে পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির ফের ভরাডুবি ঘটিয়ে রাজনৈতিকভাবে তাদের খাদের কিনারে নিয়ে যেতে।

এমন পাল্টা-পাল্টি অবস্থান নিয়ে দু’দলই নানা কৌশল নিয়ে তৃণমূলে যাচ্ছে। আসন্ন পৌর নির্বাচনে প্রার্থীদের পক্ষে সংসদ সদস্যদের প্রচারের সুযোগ দিতে রবিবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। ইসিতে গিয়ে একই আবেদন জানিয়েছে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি।

বসে নেই সংসদের বাইরে থাকা বিএনপি। একই দিন বিএনপিও নির্বাচন কমিশনে গিয়ে পৌর নির্বাচন ১৫ দিন পেছানোর দাবি জানানোর পাশাপাশি এমপিদের নির্বাচনে প্রচারে সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে স্পষ্ট ‘না’ জানিয়ে এসেছে। তবে নির্বাচন পেছানোর ব্যাপারে বিএনপির দাবি নাকচ করে দিয়ে ইসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এ মুহূর্তে নির্বাচন পেছানোর কোনই সুযোগ নেই নির্বাচন কমিশনের। তবে আগামী সোমবার পুরো কমিশন বসে রাজনৈতিক দলগুলোর এসব দাবির ব্যাপারে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে ইসি।

এমপিদের প্রচারে চায় আওয়ামী লীগ ॥ দেশের ইতিহাসে এই প্রথম দলীয়ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। জাতীয় নির্বাচনের আগে সারাদেশে ‘নৌকা’ প্রতীক নিয়ে এই রাজনৈতিক লড়াইকে কোনভাবেই হাল্কাভাবে নিচ্ছে না দলটির হাইকমান্ড।

আওয়ামী লীগের লক্ষ্য, জাতীয় নির্বাচনের মতো পৌরসভা নির্বাচনেও বিএনপিকে জনপ্রিয়তার ব্যারোমিটার দিয়ে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে নিজেদের ক্ষমতাকে আরো পাকাপোক্ত করতে। একইসঙ্গে উপমহাদেশের প্রাচীন দল হিসেবে আওয়ামী লীগ যে অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় এখনও দেশের জনগণের কাছে অধিক জনপ্রিয়, ভোটের ফলাফলের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সামনে তা তুলে ধরতে চাইছে।

আর এসব পরিকল্পনা থেকেই রবিবার নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আসন্ন পৌর নির্বাচনে প্রার্থীদের পক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের প্রচারের সুযোগ দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানিয়েছে। দলটির দাবি, সংসদ সদস্যরা কোন এক্সিকিউটিভ পাওয়ার হোল্ড (নির্বাহী ক্ষমতাধারী নয়) করে না। তাই দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচনে এমপিদের প্রচারে যাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে।

দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এমন আবেদন নিয়ে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে হানিফ সাংবাদিকদের জানান, পৌর নির্বাচনের বিদ্যমান আচরণবিধিতে সংসদ সদস্যদের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাদের বাধ্যবাধকতা তুলে ধরা হয়েছে নির্বাচন কমিশনে।

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা কোন এক্সিকিউটিভ পাওয়ার হোল্ড করে না, সরকারের সুবিধা ভোগ করে না। দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচনে এমপিদের প্রচারে যাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। এজন্য বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা রহিত করে এমপিদের প্রচারে সুযোগ দিতে বলেছি আমরা। দলীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের প্রচারের সুযোগ দেয়া সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে প্রচার করা সংসদ সদস্যদের অধিকার। এ অধিকার থেকে বঞ্চিত না করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়েছে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে।

এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার আওয়ামী লীগের দাবির বিষয়টি পুরো কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আচরণবিধি অনুযায়ী মন্ত্রীরা সরকারের সুবিধাভোগী, বিধিতে যা বলা হয়েছে, তা তাদের জন্য প্রযোজ্য। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যেসব দাবি করছে তাও আইন-বিধি মেনে পর্যালোচনা করে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।

হানিফ বলেন, ক্ষমতাসীন দল সবার অংশগ্রহণে ভোট হোক। তাদের আশা, এ জন্য বিধি অনুযায়ী তাদের যতদূর করা যাবে নির্বাচন কমিশন ততদূর করবে। ভোট পেছালে আওয়ামী লীগ সমর্থন করবে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা কমিশনের বিষয়। বাস্তবতা ও আইনের বাইরে নির্বাচন কমিশন যাবে না। আশা করি, আইনগতভাবে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে।

আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি এমপি, জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন প্রমুখ।

এমপিদের প্রচারে সুযোগ দেয়ার বিপক্ষে বিএনপি ॥ অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়া বিএনপিও পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠে নেমেছে। নানা শর্ত দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করলেও ভেতরে ভেতরে সব প্রস্তুতিই নিচ্ছে দলটি। বিএনপির নেতাদের মতে, নির্বাচন পেছানোর দাবি জানানোর মাধ্যমে ইসিকে চাপে রাখলেও তারা সব প্রস্তুতিই নিচ্ছে। আর বর্তমানে জাতীয় সংসদে তাদের কোন প্রতিনিধিত্ব না থাকায় তারা এমপিরা যাতে নির্বাচনে প্রচারে নামতে না পারে সেজন্য নির্বাচন কমিশনের ওপর অব্যাহত চাপ রেখে চলবে।

এ পরিকল্পনা থেকেই আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণায় সুযোগ না রাখা ও নির্বাচন অন্তত ১৫ দিন পেছানোর জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আনুষ্ঠানিক দাবি জানিয়েছে বিএনপি। রবিবার বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে সাক্ষাত শেষে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. ওসমান ফারুক বলেন, আমরা নির্বাচন ১৫ দিন পেছানোর দাবি জানিয়েছি। একই সঙ্গে দলের মহাসচিবসহ নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। আর মন্ত্রী-এমপিরা যেন কোনভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে না পারেন, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছি। জবাবে সিইসি জানিয়েছেন, নির্বাচন পেছানোর কোন সুযোগ নেই। তবে এমপিদের প্রচারের বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিইসির সিদ্ধান্তের পর দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে, বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে যাবে কি না।

ওসমান ফারুক বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হচ্ছে। ধরপাকড় করা হচ্ছে। এই অবস্থায় নির্বাচন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এছাড়া দলের মহাসচিবসহ নেতাকর্মীরা জেলে বন্দী রয়েছে। ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে তাদের মুক্তি দেয়ার ব্যবস্থাও নিতে হবে। অনথ্যায় নির্বাচনে ‘লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি হবে না। এ কথা আমরা সিইসিকে জানিয়েছি। আমরা আরও বলেছি, দলের মহাসচিবকে মুক্তি না দিলে, নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে- আমরা নির্বাচন করতে পারব না। এভাবে ধরপাকড় হলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।

বিএনপি সরকারের সাবেক এই শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, তাড়াহুড়া করে তফসিল ঘোষণা করায় অনেক ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। জানুয়ারি মাসে ৫০ লাখ মানুষ নতুন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবেন। ৩০ ডিসেম্বর ভোট হলে তারা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। তাই নির্বাচন পেছানো দরকার। তবে আইনী বাধ্যবাধকতা থাকায় নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই বলে সিইসি জানিয়েছেন। আমরা বলেছি, জনস্বার্থের জন্যই আইন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মতো সাংবিধানিক সংস্থা আইনী বেড়াজালে থাকলে তা কমিশনের জন্য অস্তিত্বের সঙ্কট তৈরি করবে। তাই ইসিকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য আইনের সংশোধন করতে হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে ইসিকে তার অবস্থান দৃঢ় করতে হবে।

এমপিদের নির্বাচনী প্রচারের সুযোগ দিতে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির দাবির বিষয়ে বিএনপির অবস্থান জানতে চাইলে ওসমান ফারুক বলেন, জাতীয় পার্টি এই দাবি কিভাবে করল, অবাক হয়েছি। তবে সরকারী দল এ দাবি করতেই পারে। কিন্তু আমাদের দাবি জনস্বার্থে। এক্ষেত্রে মন্ত্রী-এমপিদের প্রচারের সুযোগ দেয়া যাবে না। এছাড়া তারা টেলিফোন, মোবাইল বা অন্য কোনভাবে যেন নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে না পারে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছি। তিনি বলেন, সিইসি আমাদের বক্তব্য শুনেছেন। আশা করি তিনি ইতিবাচক ব্যবস্থাই নেবেন। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসিকে অবস্থান সুদৃঢ় করতে হবে। এর বাইরে কোন ব্যত্যয় ঘটলে শুধু ইসি নয়, সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষুণœ হবে। ইসি সরকারের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হবে।

ড. ওসমান ফারুক বলেন, আমাদের দাবি অনুসারে ভোটের তারিখ পেছানো না হলে এবং এমপিদের নির্বাচনী প্রচারের সুযোগ দিলে সরকার প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আমরা গণতন্ত্র এবং জনস্বার্থেই কিছু দাবি সিইসির কাছে দিয়েছি। আশা করি তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে এ বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন।

দুপুর পৌনে ২টার দিকে সিইসি কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদের সঙ্গে ড. ওসমান ফারুকের নেতৃত্বে বিএনপির ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল সাক্ষাত করেন। প্রতিনিধি দলে থাকা অন্য সদস্যরা হলেন- বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, ক্যাপ্টেন (অব.) সুজা উদ্দিন, এস এম আবদুল হালিম ও যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

জাপাও চাইল এমপিদের প্রচারের সুযোগ ॥ আওয়ামী লীগের পর একইদিন দেশের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও নির্বাচন কমিশনে গিয়ে পৌর নির্বাচনে প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সুযোগ দেয়ার দাবি জানিয়েছে। জাতীয় পার্টির একটি প্রতিনিধি দল রবিবার সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে উক্ত দাবি ছাড়াও পৌর ভোটের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় ১০ দিন বাড়িয়ে তফসিল পুনর্বিন্যাসের দাবিও জানিয়েছে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সচিব সিরাজুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে জিয়াউদ্দিন বাবলু বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছি। সংসদ সদস্যদের প্রচারের সুযোগ দিতে হবে। ভোট নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত করতে যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ সময় কমিশন বলেছে- ভোট নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে, কিন্তু ভোট পেছানো এবং সংসদ সদস্যদের প্রচারে অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়াটা কঠিন হবে। কমিশন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এ ব্যাপারে পরে জানাবে বলে প্রধান নির্বাচন কমিশন তাঁদের জানিয়েছেন বলেও জানান জাতীয় পার্টির এই মহাসচিব।