২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তাইওয়ান-চীন গুপ্তচর বিনিময়

তাইওয়ান ও চীন নিজেদের মধ্যে কারাদণ্ডে দণ্ডিত গুপ্তচর বিনিময় করেছে। বৈরী এই দুইপক্ষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসযোগ্যতার নিদর্শন হিসেবেই এই পদক্ষেপ। তাইওয়ান সরকারের পক্ষ থেকে সোমবার বলা হয়েছে, চলতি মাসের প্রথম দিকে তাইওয়ান ও চীনের সর্বোচ্চ দুই নেতার ঐতিহাসিক বৈঠকের পরই বন্দী বিনিময়ের এই পদক্ষেপ নেয়া হয়। খবর ইয়াহু নিউজের।

চীন তাইওয়ান সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা কর্মকর্তা কর্নেল ঝু গংজুয়ান এবং কর্নেল জু চেঙ্গাওকে মুক্তি দিয়েছে। ২০০৬ সালে তাইওয়ানের এই দুই সামরিক কর্মকর্তাকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে চীন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল।

দীর্ঘ নয়বছর পর তারা মুক্তি পেলেন। অপরদিকে তাইওয়ান চীনের গুপ্তচর লি জিহাওকে আগাম প্যারোলে মুক্তি দিয়েছে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে দেয়া বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র চার্লস চেন বলেন, ‘মা-জি এই দুই নেতার দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকের পর যে ইতিবাচক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে সেই সুনামের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ।’ তবে এ প্রসঙ্গে চীনের তাইওয়ান বিষয়ক কার্যালয়ের কোন মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

দ্বিখণ্ডিত নিষিদ্ধ করেছি বাধ্য হয়ে ॥ বুদ্ধদেব

চিদম্বরম ভুল স্বীকার করেছেন। এ রাজ্যের নেতা- নেত্রীরাও করবেন কি? নিজের লেখা ‘দ্বিখ-িত’ নিষিদ্ধ করা নিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দিকে এমন প্রশ্নই ছুঁড়ে দিলেন তসলিমা নাসরিন। এর জবাবে বুদ্ধদেব বলেন, তিনি কোন সময়েই বই নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তখন ওই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। খবর ওয়েবসাইটের।

রাজীব গান্ধী জমানায় সালমান রুশদির উপন্যাস ‘স্যাটার্নিক ভার্সেস’ নিষিদ্ধ করা ভুল হয়েছিল বলে শনিবারই দাবি করেন কংগ্রেস নেতা চিদম্বরম। প্রায় ১২ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৩ সালের ২৮ নবেম্বর পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয় তসলিমার লেখা বই ‘দ্বিখ-িত’। বুদ্ধদেবকে টুইটারে তসলিমার সরাসরি প্রশ্ন, পি চিদম্বরম বলেছেন, ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কবে বলবেন আমার বই ‘দ্বিখ-িত’ নিষিদ্ধ করাও ভুল ছিল? এ প্রসঙ্গে বুদ্ধদেব বলেছেন, বিতর্ক খোঁচাতে চাই না। তবে আমি মৌলিকভাবে কখনও কোন বই নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে। ব্যক্তিগতভাবে আমি এভাবে ভাবিই না। কিন্তু এই বইটার সময় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বাধ্য হয়েছিলাম। শুধু সিপিএম নয়, তসলিমার প্রশ্নে বিদ্ধ হয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীও। টুইটারে লেখিকা মমতার উদ্দেশে বলেছেন, চিদম্বরমের কাছ থেকে শেখা উচিত মমতা ব্যানার্জীর।