২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বরিশালে পাঁচ শ’ বিঘা জমি অনাবাদি থাকার আশঙ্কা

  • সুইস গেট বন্ধ করে মাছ চাষ

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ আগৈলঝাড়া-পয়সারহাট খালের সরবাড়ি গ্রামের হরিমন্দির সংলগ্ন সুইস গেট বন্ধ করে মাছ চাষ শুরু করছেন স্থানীয় প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা সুদিন হালদার। ফলে ওই এলাকার ছবিখাঁরপাড়, বড় মাগড়া, সরবাড়ি এলাকার প্রায় পাঁচ শ’ বিঘা জমিতে বোরো চাষাবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় চাষী অঘোর হালদার, প্রমোধ বাড়ৈ, সাধন হালদার, গোপাল চন্দ্র, পুলিন হালদার, সুধির চন্দ্রসহ একাধিক চাষী জানান, বাকাল ইউনিয়নের ছবিখাঁরপাড় ও বড় মাগড়া এলাকার কয়েকশ’ বিঘা আবাদি জমিতে খালের জোয়ারের পানি ওঠানামা করার জন্য আগৈলঝাড়া-পয়সারহাট খালের সরবাড়ি গ্রামের হরিমন্দির সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন পূর্বে সরকারীভাবে একটি সøুইস গেট নির্মাণ করা হয়। চাষীরা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি সময়ে সরকারী সøুইচ গেটের মুখ মাটি দিয়ে সম্পূর্ণ বন্ধ করে জমিসংলগ্ন ঘেরে মাছ চাষ শুরু করেছেন যুবলীগের প্রভাবশালী সদস্য সুদিন হাওলাদার। ফলে ওই সøুইচ গেট দিয়ে পানি ওঠানামা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে প্রায় পাঁচ শ’ বিঘা জমিতে বোরো চাষাবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। চাষীরা আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় তারা প্রতিবাদ করায় যুবলীগ নেতা সুদিন হালদার তাদের হুমকি প্রদর্শন করে আসছে।

স্থানীয় ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি সুধির হালদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, যুবলীগ নেতা সুদিন হালদারকে একাধিকবার সøুইচ গেটের বন্ধ করা মুখ খুলে দিতে বলা হলেও সে দম্ভ দেখিয়ে উল্টো চাষীদের হুমকি অব্যাহত রেখেছে। হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করে যুবলীগ নেতা সুদিন হালদার বলেন, এ সøুইচ গেটে চাষীদের তেমন কোন উপকারে আসে না, তাই তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার নাসির উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খুব শীঘ্রই সরেজমিন পরিদর্শন করে চাষীদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

টাঙ্গাইলে জিহাদী বইসহ শিবিরের ১৪ নেতাকর্মী গ্রেফতার

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল, ৩০ নবেম্বর ॥ টাঙ্গাইল পৌরসভার সাহাপাড়া এলাকা থেকে জিহাদী বইসহ ১৪ শিবির নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রবিবার সন্ধ্যায় তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে মডেল থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ জানায়, পৌরসভার সাহাপাড়া এলাকায় একটি ছাত্রাবাস থেকে গ্রেফতারকৃত ১৪ জনসহ ২০-২৫ জন মিলে গোপন বৈঠক করছিল। এ সময় ওই ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকিরা পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃতরা হলো- পাবনার মিজানুর রহমান মুন্না, নওগাঁর সেলিম রেজা, রংপুরের রেদওয়ান মিয়া, মানিকগঞ্জের শামীম মিয়া, মোবারক, শাহ পরান সাগর, কুমিল্লার আজিজুর রহমান মুন্সি, মাইনুল হাসান রকি, তুষার আব্দুল্লাহ, জুয়েল, সিরাজগঞ্জের মেহেদী হাসান, দিনাজপুরের মঞ্জুরুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, জামালপুরের আল আমিন ও টাঙ্গাইলের ফয়সাল আহম্মেদ। পরে ছাত্রাবাসে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই উদ্ধার করা হয়েছে।