২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জেল থেকেই নির্বাচন করবেন গউছ

নিজস্ব সংবাদদাতা, হবিগঞ্জ, ৩০ নবেম্বর ॥ জেলে থেকেই সাবেক অর্থমন্ত্রী শামস্ কিবরিয়া হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামি ও জেলা বিএনপির সেক্রেটারি জি কে গউছ আসন্ন হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে লড়াইয়ে নামছেন। ইতোমধ্যে একটি মনোনয়নপত্রও সংগ্রহ করা হয়েছে। তার ভাই ঠিকাদার জি কে গাফ্ফার এই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তবে কোন কারণে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারলে বিকল্প হিসেবে গউছ তার স্ত্রী ফারহানা হ্যাপীকে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাতে চান। এজন্য হ্যাপীর নামে আরও একটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় এই দু’জনের পক্ষে দুটি পত্র নেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মঞ্জুর উদ্দিন শাহীন, সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট সামছু মিয়া, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সালেহ উদ্দিন আহমেদ ও গোলাম ফারুক।

ঠাকুরগাঁওয়ের মেয়র প্রার্থীরা ঢাকায়

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও, ৩০ নবেম্বর ॥ পৌর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কেন্দ্রের দলীয় মনোনয়ন লাভে দৌড়ঝাঁপে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। বিএনপি তাদের প্রার্থী মনোনয়ন করলেও জাতীয় পার্টি ও বাম দলগুলোর গায়ে এখনও নির্বাচনী হাওয়া লাগেনি। এছাড়া দলীয় প্রতীকের সামনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে অনেকে সাহস ও ভরসা পাচ্ছে না। তাই এবার মেয়র প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হবে না বলে সাধারণ ভোটাররা মনে করছে। তফসিল ঘোষণার পর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মেয়র পদসহ অন্যান্য পদের জন্য দলের নেতাকর্মীর কাছে দরখাস্ত আহবান করে। এরই প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থিতা লাভের জন্য যারা জেলা কমিটির কাছে আবেদন করে এবং জেলা কমিটি যাদের নাম কেন্দ্রে পাঠিয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন বাবু, ঠাকুরগাঁও আইন কলেজের অধ্যক্ষ, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ও জেলা যুব মহিলা লীগের আহবায়ক তাহমিনা আখতার মোল্লা, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য আব্দুল মজিদ আপেল, বর্তমান প্যানেল মেয়র ব্যবসায়ী বাবলুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকরামুল হক, প্রাক্তন পৌর চেয়ারম্যান এসএম সোলায়মান আলী সরকার এবং বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা এসএমএ মঈন। এদের অধিকাংশ প্রার্থী কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন। এদিকে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, বিএনপির পৌর কমিটির সভাপতি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম, সাবেক ছাত্রনেতা বিএনপির জেলা কমিটির সদস্য ওবায়দুল্লাহ মাসুদ।