২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আঁশ জাতীয় খাদ্য

০ বেশি পাওয়া যায় ফল, শাকসব্জি খোসাসমেত শস্যদানা, বীজ, বাদাম ও ডালে।

০ কী করে উপকার করে আঁশ জাতীয় খাদ্য।

০ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

০ পাইলস কমিয়ে দেয়।

০ কমিয়ে দেয় হাটের অসুখ ও কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা।

০ ওজন কমাতে সাহায্য করে।

০ ক্ষিদের প্রবণতা কমিয়ে দেয়।

০ খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

০ ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।

০ ব্লাড প্রেসার কমিয়ে দেয়।

০ কমিয়ে দেয় প্রদাহকে।

প্রতিদিন কী পরিমাণ আঁশ জাতীয় খাদ্য দরকার

৫০ বছর বয়স্ক পুরুষ এবং এর নিচের বয়স্কদের জন্য ৩৮ গ্রাম আঁশ জাতীয় খাদ্য দরকার।

এবং ৫০-এর উর্ধে বয়সের জন্য ৩০ গ্রাম, ৫০ এবং এর নিচের বয়স্ক মহিলাদের জন্য ২৫ গ্রাম, ৫০-এর উর্ধের জন্য ২১ গ্রাম আঁশ জাতীয় খাদ্য দরকার।

অদ্রবীভূত আঁশ জাতীয় খাদ্য

০ পরিপাক তন্ত্রকে উজ্জীবিত করে

০ পাওয়া যায় খোসাসমেত গম, বাদাম, শিম, ফুলকপি ও আলুতে

দ্রবীভূত আঁশ জাতীয় খাদ্য

কিছু আঁশ জাতীয় খাদ্য পানিতে মিলে একরকম জেল তৈরি করে

০ এদের কাউকে কাউকে আবার প্রি-বায়োটিক্স বলে

০ প্রি-বায়োটিক্স অন্ত্রের ভাল জীবাণুর খাদ্য দেখা যায়- পেঁয়াজ, শিম, আপেল, টক ফল, গাজর, বার্লিতে