২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মেঘনা পেটের অস্বিত্ব নিয়ে নিরীক্ষকের সংশয়

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ নগদ অর্থ, পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ নিয়ে বড় ধরনের সংকটের কারণে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছে কোম্পানিটির নিরীক্ষক। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য নগদ অর্থ প্রবাহ ও পণ্যের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের আগ্রাসী বাজারজাতকরণ করতে হবে বলে মত প্রকাশ করেছে নিরীক্ষক।

কোম্পানিটির ২০১৫ সালের ৩০ জুনে সমাপ্ত হওয়া হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদনে নিরীক্ষকের পক্ষ থেকে এ সব মত প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটি ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪৯ লাখ ৭৪ হাজার টাকা লোকসান করেছে। এতে কোম্পানিটির পুঞ্জীভূত লোকসান দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৮৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

কোম্পানির আর্থিক পরিস্থিতি বিধৃত করে বলা হয়েছে, এ পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে কোম্পানির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে বড় ধরনের সংশয় ও সন্দেহ রয়েছে।

নিরীক্ষকের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, কোম্পানি অ্যাক্ট ১৯৯৪ এর ১২১ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি ম্যানেজিং এজেন্টের ব্যবস্থাধীনে থাকলে উক্ত কোম্পানি তার ম্যানেজিং এজেন্টের ব্যবস্থাধীন অন্যকোনো কোম্পানিকে ঋণদান কিংবা এ ধরনের কোম্পানিকে গ্যারান্টিও প্রদান করবে না। কিন্তু মেঘনা পিইটির ম্যানেজম্যান্ট কোম্পানি থেকে ১৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে কোম্পানি থেকে ১০ কোটি ৭১ লাখ টাকা এবং কোম্পানি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে ৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে।

এ ছাড়া ২০১৪-১৫ অর্থবছরে কোম্পানিটি ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে ৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকার জামানত বিহীন ঋণ গ্রহণ করে এবং পরিশোধ করে ৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ জামানত বিহীন ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা এবং ব্যাংকের এ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

২০০১ সালে এ কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। তালিকাভুক্তির পর থেকে এ পর্যন্ত কোম্পানিটি শেযারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয়নি। তালিকাভুক্তির পর থেকই লোকসান গুনে আসছে মেঘনা পেট।