২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তালেবানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় নওয়াজ-গনি একমত

তালেবান জঙ্গীদের সঙ্গে স্থবির হয়ে পড়া শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য একত্রে কাজ করতে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের নেতারা সম্মত হয়েছেন। প্যারিসে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকের পর তারা এ ব্যাপারে সম্মত হন। কর্মকর্তারা এ কথা জানান।

ইসলামাবাদ সেপ্টেবরে আফগান শহর কুন্দুজ সংক্ষিপ্ত সময়ের দখলে তালেবানকে মদদ দিয়েছে কাবুলের এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ ও আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি সোমবার এক বৈঠক করেন।

পাকিস্তান গত জুলাই মাসে প্রথম দফার একটি ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনার আয়োজন করে। এ ক্ষেত্রে তালেবান জঙ্গীদের ওপর তাদের ব্যাপক প্রভাব কাজে লাগায়। তালেবানের দীর্ঘদিনের নেতা মোল্লা ওমরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার পর পরই এ শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ে।

এ শান্তি আলোচনা আবারও শুরু করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের চাপ থাকলেও ইসলামাবাদ এবং কাবুলের মধ্যে শীতল সম্পর্ক তাদের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে। -এএফপি

তাজমহল হিন্দু মন্দির ছিল না ॥ সংস্কৃতিমন্ত্রী

তাজমহল হিন্দু মন্দির ছিল বলে ভারতের একদল আইনজীবী যে দাবি করেছিলেন তা প্রমাণিত নয় বলে জানিয়েছে ভারত সরকার।

দেশটির সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী মহেশ শর্মা জানান, তাজহমল হিন্দু মন্দির ছিলÑ এই দাবির স্বপক্ষে সরকার কোন ধরনের প্রমাণ খুঁজে পায়নি।

সোমবার ভারতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় এ কথা জানান মহেশ শর্মা। খবর বিবিসির।

গেল বছর একদল আইনজীবী আদালতে একটি পিটিশন দিয়ে এই স্থাপনাকে হিন্দুদের হাতে তুলে দেয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন।

মুঘল সম্রাট শাহজাহান তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের মৃত্যুর পর তাজমহল নির্মাণ করেছিলেন।

সম্রাটের তৃতীয় ও সবচে প্রিয় স্ত্রী মমতাজ ১৪তম সন্তানের জন্ম দিতে গিয়ে মারা যান। ১৬৫৩ সালে এটির নির্মাণ শেষ হয়। প্রতিদিন ১২ হাজার মানুষ এই অপরূপ স্থাপত্য নিদর্শন দেখতে আসেন।

এই স্থাপনাকে মুঘল শিল্পকলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নিদর্শন বলে বিবেচনা করা হয়। ১৯৮৩ সালে তাজমহলকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ বলে ঘোষণা করা হয়। প্রতিবছর লাখ লাখ পর্যটক তাজমহল দেখতে আসেন।

তাজমহলকে হিন্দু মন্দির ঘোষণা এবং সেখানে হিন্দুদের পুজো করার অনুমতি দিতে হিন্দুত্ববাদীদের পক্ষ থেকে আগ্রা আদালতে একটি মামলা করা হয়েছে।

চলতি বছরের মার্চে আগ্রা আদালতে তাজমহলকে ‘শিব মন্দির’ ঘোষণা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব হস্তান্তর চেয়ে হিন্দুত্ববাদী ছয়জন আইনজীবী মামলা করেন। তাদের ভাষ্য, আগ্রায় মহাদেব শিব বাস করতেন। সুতরাং এটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ভারতের প্রতœতাত্ত্বিক বিভাগ নয়, তাদের কাছে দিতে হবে।