২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এসএমই’র জামানতবিহীন ঋণ ২৫ লাখ টাকার দাবি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত (এসএমই) উন্নয়নে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ চাওয়া হয়েছে। এসএমই খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে পৃথক ব্যাংক ঋণের প্রয়োজন। এই ঋণের সুদ হবে ৮-৯ শতাংশ। এছাড়া ট্রেড লাইসেন্সেন ফি কমানোসহ তা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জেলা চেম্বারগুলোর হাতে ন্যস্ত করা উচিত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি এসএমই খাত। তাই রূপকল্প ভিশন-২১ বাস্তবায়নে এই খাত উন্নয়নে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের স্ট্যান্ডি কমিটি অন-এসএমই থেকে সম্প্রতি সরকারের কাছে এসব দাবি করা হয়েছে। এসএমই স্ট্যান্ডিং কমিটির ডিরেক্টর ইনচার্জ ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক আলহাজ বজলুর রহমান জানান, ১৬ কোটি মানুষের দেশে ৩ কোটি ব্যবসায়ী রয়েছেন, এদের অধিকাংশ বা ৮০ শতাংশ এসএমই উদ্যোক্তা। তাই এসব উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণ সুবিধা বাড়াতে হবে। আর ওই ঋণের সুদ হার সিঙ্গেল ডিজিটের মধ্যে থাকতে হবে। তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত ভিশন-২১ বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে রূপান্তরের জন্য এসএমই খাতের বিকাশ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কারণ কর্মসংস্থান ও নারীর ক্ষমতায়নে সবচেয়ে বেশি অবদান এই খাতের। তিনি বলেন, কৃত্রিম ফুল, বাঁশ, বেত, বুটিক জামদানি, রাজশাহী শিল্ক, টাঙ্গাইল শাড়ি, বিউটি পার্লার, মোমের তৈরি দ্রব্যাদি, কৃষিজাতপণ্য, পোল্ট্রি ফার্ম, পাটও পাটজাতপণ্য, চামড়াজাতপণ্যসহ সব রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যাংকের সুদ হার কমাতে হবে। তিনি বলেন, এসএমই খাত উন্নয়নের মাধ্যমেই প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে রূপান্তর হবে বলে আশা করছি।

জানা গেছে, দেশে প্রায় ৬ লাখ এসএমই শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে- যা এসএমইর অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া প্রায় ৩০ লাখ প্রতিষ্ঠান মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দেশের ৯০ শতাংশ শিল্প ইউনিটই এসএমই খাতের অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি শিল্প-কারখানায় নিয়োজিত মোট শ্রমিকের ৮৭ শতাংশ এবং মোট সংযোজিত পণ্যের ৩৩ শতাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।