২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

না’গঞ্জের ৭ খুন মামলার চার্জশীটে মারাত্মক ত্রুটি

  • হাইকোর্টের মন্তব্য

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ৭ খুন মামলার চার্জশীটে মারাত্মক ত্রুটি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে হাইকোর্ট। তবে মামলার স্বার্থে তা প্রকাশ করছি না বলেও জানান আদালত। এটা বললে মামলায় অন্যরকম কিছু একটা হয়ে যেতে পারে। নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটির অধিকতর তদন্ত চেয়ে করা রিট আবেদনের শুনানিতে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, এই চার্জশীট দেখে বুঝতে পেরেছি এতে মারাত্মক ত্রুটি রয়েছে। আমরা মামলার স্বার্থে তা বলব না। রিটকারী আইনজীবী এ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে উদ্দেশ করে আদালত বলেন, আপনারা এই ত্রুটি খুঁজে বের করবেন। মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট আবেদনের ওপর শুনানি করে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৭ ডিসেম্বর রবিবার পর্যন্ত মুলতবি করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার ও এ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান কবির।

আদালত বলেন, সাত খুনের মামলার বিচারের দিকে দেশের মানুষ তাকিয়ে আছে। এই মামলার রেজাল্ট কি হয়, মানুষ তা দেখতে চাই। বেলা সোয়া তিনটার সাত খুনের অধিক তদন্তের রিট শুনানির সময় আব্দুল বাসেত মজুমদারকে বলেন, আপনি তো সাত খুনের পরে নারায়ণগঞ্জ গিয়ে মানববন্ধন করেছিলেন। আমরা তো মনে করেছিলাম মানববন্ধন করেই দ্বায়িত্ব শেষ। আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার বলেন, সাত খুনের মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের সঙ্গে যারা ছিলেন তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। আদালত বলেন পুলিশ চাইলে সম্পুরক চার্জশীট দিতে পারে।

গত বছরের ২৭ এপ্রিল দুপুরে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহরণ করা হয়। ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের এবং ১ মে অপরজনের লাশ পাওয়া যায়। নিহত অপর পাঁচজন হলেন- নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, চন্দন সরকারের গাড়িচালক মোঃ ইব্রাহীম। এ ঘটনায় নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম ফতুল্লা মডেল থানায় নূর হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মিয়া, হাসমত আলী, আমিনুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন ও ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ছাড়া চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল একই ঘটনায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একই থানায় আরেকটি মামলা করেন।

নির্বাচিত সংবাদ