১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নীলফামারীতে হত্যার দায়ে ৬ জনের যাবজ্জীবন

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ গৃহবধূ ও কৃষককে হত্যার দুটি মামলার পৃথক রায়ে ছয় ব্যক্তির যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদুল কবীর এ রায় দুটি প্রদান করেন।

এর মধ্যে ২০০৯ সালের ২০ এপ্রিল যৌতুকের দাবিতে জেলার ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের সাতজান গ্রামের গৃহবধূ এক সন্তানের জননী সন্ধ্যা রাণী রায়কে পিটিয়ে হত্যা করে তার স্বামী বিপুল চন্দ্র রায়। ওই মামলায় সন্ধ্যা রাণী রায়ের স্বামী বিপুল চন্দ্র রায়কে (৩০) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদ- প্রদান করেন। অপরদিকে ২০০৯ সালের ২৩ জুন পূর্বশত্রুতার জের ধরে জেলার কিশোরীগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের কৃষক শফিয়ার রহমানকে পিটিয়ে আহত করেন তার প্রতিপক্ষরা। এ সময় জেলার সৈয়দপুর উপজেলার খাতা মধুপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে তাকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আব্দুল আজিজ বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানায় ১৯ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার শুনানিতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ-, প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের করাদ- প্রদান করা হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেনÑ সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর গ্রামের মকিম উদ্দীনের ছেলে বাবুল (৩৮), তার বড়ভাই মোসলেম উদ্দীন (৪২), চাচাত ভাই দুলাল হোসেন (৩৭), আব্দুল মজিদ (৪০) ও ভাতিজা (রায়হানের ছেলে) সাইফুল ইসলাম (২৫)। এ মামলায় ১৪ জন আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জে ২ জনের

নিজস্ব সংবাদদাতা, নারায়ণগঞ্জ থেকে জানান, শহরের চাষাঢ়ায় একটি রফতানিমুখী গার্মেন্টস কারখানার নারী শ্রমিককে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় দুই বখাটে যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আরও ১ লাখ টাকা করে অর্থদ- অনাদায়ে ১ মাস করে কারাভোগের আদেশ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে রাশেদুজ্জামান রাজা এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্তরা হলোÑ শহরের দেওভোগ এলাকার সুমন সরকার ও উকিলপাড়া এলাকার হারাধন চন্দ্র পাল। উল্লেখ্য, শহরের চাষাঢ়া এলাকার কেসি এ্যাপারেলসের নারী শ্রমিক ২০০২ সালের ২৯ অক্টোবর রাতে একটায় বাড়ি ফেরার পথে সুমন সরকার ও হারাধন পাল তুলে নিয়ে দেওভোগে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে ধর্ষণ করে।

নরসিংদীতে ২

নিজস্ব সংবাদদাতা, নরসিংদী থেকে জানান, ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আমিন ওরফে আল আমিন ও আজিমকে যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীম আহাম্মদ।

মঙ্গলবার বিকেলে আদালতে এ রায় প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, বেলাব উপজেলার বীরবাগবের গ্রামের লাল মিয়ার কন্যা আসমা বেগমকে একই গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের পুত্র আমিন ওরফে আল আমিন ও রহিছ মিয়ার পুত্র আজিম ২০১২ সালের ১৬ এপ্রিল রাতে নাটক দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়।

পার্শ্ববর্তী নুরু মিয়ার বাঁশঝাড়ের নিচে জঙ্গলে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। পরে তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে লাশ মাটির নিচে পুঁতে রাখে।