১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শেরপুরে বুনো হাতির তাণ্ডবে তুলা ক্ষেত ধ্বংস

নিজস্ব সংবাদদাতা, শেরপুর, ১ ডিসেম্বর ॥ ক’দিনের বন্যহাতির অব্যাহত তা-বে শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্ণঝোড়া, মেঘাদল ও রাজার পাহাড় এলাকায় তুলা ক্ষেত বিনষ্ট হয়েছে। এতে তুলাচাষীরা পড়েছেন চরম হতাশায়।

সরেজমিন গিয়ে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্ত এলাকার গারো পাহাড়ে তুলা চাষে লাভজনক হওয়ায় কৃষকেরা এ চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। কারণ হিসেবে তারা জানান, এটি পরিত্যক্ত জমিতে চাষ করা যায়। এমনকি কম খরচে লাভ বেশি। এ স্বপ্ন দেখে এবার বেশ কয়েক জন কৃষক তুলা চাষ করেছেন। এখন প্রত্যেকটি তুলা গাছে এসেছে গুটি। আর ক’দিন পরেই তারা পাবেন প্রত্যাশিত ফসল। কিন্তু এর মধ্যে গত এক সপ্তাহে বন্যহাতির তা-বে প্রায় সবকটি তুলা ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। উপজেলা তুলা উন্নয়ন বোর্ড জানায়, এবার তাদের সহযোগিতায় মারাকপাড়া গ্রামের ইদ্রিস আলী, হাফিজুর রহমান, কর্ণঝোড়া গ্রামের তারেক রহমান, চান্দাপাড়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেন দিলু, মঞ্জু মিয়া, বাবেলাকোনা গ্রামের ফোজিন মিয়া, মমেন মিয়া, মর্জিনা বেগম ও এরিনা বেগম তুলা চাষ করেছেন। তাদের কেউ এক একর, কেউবা দুই একর করে তুলা চাষ করেছেন। তারা দেখছেন লাভের স্বপ্ন। এ ব্যাপারে শ্রীবরদী উপজেলা তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা নুরল আলম বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যহাতির তা-বে ক্ষতিগ্রস্ত তুলা ক্ষেতগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। এতে প্রায় সবারই ক্ষেত বিনষ্ট হয়েছে।

রূপগঞ্জে ৮৩ বসতঘর উচ্ছেদ ॥ বিক্ষোভ, মন্ত্রীর আশ্বাস

নিজস্ব সংবাদদাতা, রূপগঞ্জ, ১ ডিসেম্বর ॥ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের পূর্বাচল উপ-শহরের ২১ নম্বর সেক্টরের রঘুরামপুর এলাকার অধিবাসীদের ৮৩টি বসতঘর ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক। শুধু তাই নয়, কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোড সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে দখলমুক্ত করা হয়। অধিকাংশ অধিবাসীদের প্লট বুঝিয়ে না দেয়ায় তারা উপস্থিত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রালয়ের মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। এ সময় মন্ত্রী বিক্ষুব্ধ অধিবাসীদের তাদের পাওনা প্লট বুঝিয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন। জানা গেছে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ম্যাজিস্ট্রেট নাছির উদ্দিনের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যের উপস্থিতিতে পূর্বাচল উপ-শহরের ২১ নম্বর সেক্টরের রঘুরামপুর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রায় ৮৩টি বসতঘর ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। উচ্ছেদ অভিযান ও পূর্বাচল উপ-শহর প্রকল্প পরিদর্শন করেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রালয়ের মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজউকের প্রকল্প পরিচালক আব্দুল আউয়াল, সহকারী পরিচালক উজ্জ্বল মল্লিক, মনির হোসেন, প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন, নুরে আলম, পারভেজ, শাহিন জামান, আলমগীর হোসেন প্রমুখ। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রঘুরামপুর এলাকার অধিবাসীরা তাদের প্লট বুঝিয়ে দেয়ার দাবিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রালয়ের মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ অধিবাসীদের প্লট বুঝিয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী। বিক্ষুব্ধরা জানান, কোন নোটিস না করেই উচ্ছেদ অভিযান চালায় রাজউক। রাজউক একটু সুযোগও দেয়নি।