২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জয় বাংলা ধ্বনি উচ্চারণ করায় শিশু নরেশকে গুলি করে হত্যা

  • আজ ঠাকুরগাঁও মুক্ত দিবস

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও, ২ ডিসেম্বর ॥ ৩ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঠাকুরগাঁও মহকুমা প্রথম শত্রুমুক্ত হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও উদ্যোমী জনতা ওই দিন ভোরে ঠাকুরগাঁও শহরে প্রবেশ করে পতাকা উড়িয়ে বিজয় উল্লাস করে। ২৭ মার্চ পাকবাহিনীর হাতে প্রথম শহীদ হয় রিক্সাচালক মোহাম্মদ আলী। পরদিন ২৮ মার্চ ‘জয় বাংলা’ ধ্বনি উচ্চারণ করায় শিশু নরেশ চৌহানকে গুলি করে হত্যা করে পাকবাহিনীর সদস্যরা। পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়াকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা মুক্তাঞ্চল থেকেই পরিচালিত হয় চূড়ান্ত লড়াই। ১৫ এপ্রিলের পর ঠাকুরগাঁও এলাকায় শুরু হয় হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, লুটপাট আর বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা। আওয়ামী লীগের ঘাঁটি শহরের ইসলামনগর থেকে ছাত্রনেতা আহাম্মদ আলীসহ ৭ জনকে হানাদার বাহিনী ঠাকুরগাঁও ক্যাম্পে ধরে এনে আটক করে রাখে। পরে বেয়নেট চার্জ করে হত্যার পর তাদের লাশ শহরের টাঙ্গন ব্রিজের পশ্চিম পাশে গণকবর দেয়। একইভাবে তৎকালীন এমপি ফজলুল করিমের কয়েকজন চাচাত ভাইসহ ৬ জনকে ধরে এনে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

১৭ এপ্রিল সেখানে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা ২ হাজার ৬শ’ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে পাথরাজ নদীর তীরে গুলি করে হত্যা করে। এদিনে জগন্নাথপুর, গড়েয়া শুখাপনপুকুরী এলাকার কয়েক হাজার মুক্তিকামী মানুষ ভারত অভিমুখে যাওয়ার সময় রাজাকাররা তাদের আটক করে মিছিলের কথা বলে পুরুষদের লাইন করে পাথরাজ নদীর তীরে নিয়ে যায় এবং পাক হানাদাররা ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে তাদের। স্বামী হারিয়ে সে দিনের বীভৎস ক্ষত নিয়ে এখনও বেঁচে আছে ৪ শতাধিক বিধবা। দ্বিতীয় গণহত্যা চালানো হয় রানীশংকৈল উপজেলার খুনিয়াদিঘীর পাড়ে।

চট্টগ্রামে শিবিরকর্মীসহ ৬০ জন আটক

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে এক শিবিরকর্মীসহ ৬০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতভর অভিযানে চালিয়ে জেলা পুলিশের বিশেষ টিম তাদের আটক করে। অভিযানে ২০০ লিটার চোলাই মদ ও ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।