২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চারণকবি বিজয় সরকারের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

রিফাত-বিন-ত্বহা, নড়াইল ॥ অসাম্প্রদায়িক চেতনার সুরস্রষ্টা, চারণকবি বিজয় সরকারের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হলো বুধবার। বিজয় সরকার ১৯০৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি (১৩০৯ বঙ্গাব্দের ৭ ফাল্গুন) নড়াইলের নিভৃতপল্লী ডুমদি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। বার্ধ্যকজনিত কারণে ১৯৮৫ সালের ২ ডিসেম্বর পরলোকগমন করেন বিজয় সরকার। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কেউটিয়ায় তাকে সমাহিত করা হয়। তবে এই গুণী মানুষটির জন্মভূমি পড়ে রয়েছে অযতœ ও অবহেলায়। এদিকে বিজয় সরকারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নড়াইল জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। তবে বিজয় সরকারের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী তার জন্মভূমি নড়াইলের ডুমদিতে পালনের জোর দাবি জানিয়েছেন বিজয়ভক্তরা।

জানা যায় বিজয় সরকার একাধারে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। প্রকৃত নাম বিজয় অধিকারী হলেও সুর, সঙ্গীত ও অসাধারণ গায়কী ঢঙের জন্য ‘সরকার’ উপাধি লাভ করেন। ১৮০০ বেশি গান লিখেছেন এবং সুর ও সঙ্গীত করেছেন। তিনি গানের কথায়, সুরে মাঝে বেঁচে আছেন হাজারো মানুষের হৃদয়ে। দেশের মাটিতে বিজয় সরকারের যেমন কোটি কোটি ভক্ত রয়েছে, তেমনি রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও।

তিনি তার ভক্তদের কাছে ‘পাগল বিজয়’ হিসেবে সমধিক পরিচিত। শিল্পকলায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন বিজয় সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে-২০০৯ সালে জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে বিজয় সরকারের বাড়ি নড়াইল সদর উপজেলার ডুমদিতে ভবন ও বিজয় মঞ্চ নির্মিত হলেও অযতœ-অবহেলায় তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বাড়িতে ময়লা-অবর্জনার স্তূপ জমেছে। যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে কবির ব্যবহৃত খাটসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সংগ্রহশালা নির্মাণের দাবিও রয়ে গেছে উপেক্ষিত।

এদিকে, তার বাড়িটি দেখভালের জন্য নেই কোনো লোকবল। বিজয় সরকারের বাড়িতে যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটিও সম্পূর্ণ পাকা হয়নি। মাত্র দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার কারণে দর্শনার্থীরা পড়েন বিপাকে। গ্রাম্য মেঠো পথের মতোই রয়ে গেছে রাস্তাটি। এ অবস্থায় বিজয় সরকারের স্মৃতিধন্য স্থানটি পরিদর্শনের সুবিধার্থে রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অপির আড্ডায় রেজোয়ানা চৌধুরী বন্যা

সংস্কৃতি ডেস্ক ॥ দেশ বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী রেজোয়ানা চৌধুরী বন্যা এবার তার ব্যক্তি জীবন, কর্মজীবন এবং পারিবারিক জীবনের নানা দিক নিয়ে আড্ডায় মাতবেন জনপ্রিয় মডেল, অভিনেত্রী এবং উপস্থাপিকা অপি করিমের সঙ্গে। আড্ডামূলক এই অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে জিটিভির পর্দায়। জিটিভিতে প্রতি সপ্তাহে প্রচারিত হচ্ছে অপি করিমের উপস্থাপনায় সেলিব্রেটি আড্ডানুষ্ঠান ‘এস কিউ লাইট’স অপি’স গ্লোয়িং চেয়ার’ । অপি’স গ্লোয়িং চেয়ার’ অনুষ্ঠানের আজকের পর্বের অতিথি কণ্ঠশিল্পী রেজোয়ানা চৌধুরী বন্যা তার জীবনের নানা দিক নিয়ে কথা বলবেন। বলবেন ব্যক্তি রেজোয়ানা চৌধুরী বন্যা থেকে তারকা রেজোয়ানা চৌধুরী বন্যা হয়ে ওঠার গল্প। দর্শকদের জানাবেন তার বর্তমান ব্যস্ততা এবং ব্যক্তি জীবনের নানান গল্প। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দর্শক জানতে পারবেন এই শিল্পীর জীবনের অনেক না বলা কথা।