২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কেশবপুরে বিএনপিতে কোন্দল

নিজস্ব সংবাদদাতা, কেশবপুর, ২ ডিসেম্বর ॥ কেশবপুরে পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে দলীয় রাজনীতি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমানে মাঠ চষে বেড়াচ্ছে। থেমে নেই জাতীয় পার্টি। তবে জামায়াত ঘাপটি মেরে বসে আছে। দলীয় প্রতীকে এবার প্রথম পৌর ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রধান দল দুটি মুখোমুখি অবস্থানে লড়ে যাচ্ছে। পৌরসভা ঘোষণার পর থেকে আজ পর্যন্ত মেয়র পদটি বিএনপির কাছ থেকে কেউ নিতে পারেনি।

আওয়ামী লীগ বার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে দলীয় কোন্দলসহ নানা কারণে মেয়র পদ দখলে নিতে। এবারও বর্তমান মেয়র আব্দুস সামাদ মেয়র পদ ধরে রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপির মধ্যেও দীর্ঘদিনের কোন্দল রয়েছে। তাই এবার মেয়র পদে তাদের দুইজন প্রার্থী। তবে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হওয়ায় এবার মেয়র পদ আওয়ামী লীগের দখলে চলে আসবে বলে অনেকেই ধারণা করছেন। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। মেয়র পদের জন্য উভয় দলই কোমর বেঁধে নির্বাচনী মাঠে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। নানা রকম কৌশল নিয়ে ভোটের হিসেব কষে চলেছে তারা। কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীরাও দলীয়ভাবে ভোটের জন্য এলাকা মাতিয়ে তুলেছে। গ্রাম মাঠ রাস্তার মোড় চায়ের দোকান সব জায়গায় ভোটের আলোচনায় এখন মুখ।

কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ রফিকুল ইসলাম রফিককে গত নবেম্বরে তাদের দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত করেছে। স্থানীয় এমপি ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই প্রার্থী নির্বাচিত হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায়ও রফিকুল ইসলাম প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন এবং মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী এবার মেয়র নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। বিএনপি তাদের প্রার্থী এখনও ঘোষণা করেনি। পৌর বিএনপির সভাপতি ও বর্তমান মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাস এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আলমগীর কবির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। বিএনপির মেয়র প্রার্থী আলমগীর কবির জানায়, দলীয়ভাবে তাদের কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। দলীয় কোন্দলের কারণে উপজেলা ও জেলা বিএনপি কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। তবে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মশিয়ার রহমান জানান, দলীয়ভাবে তাদের মেয়র প্রার্থী আব্দুস সামাদ বিশ্বাে সর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এতে মনে হচ্ছে বিএনপির দু’জনই নির্বাচনে লড়াই করবেন। এদিকে জাতীয় পার্টির ডাক্তার গোলাম মোস্তফা নির্বাচন করবেন এমন প্রচার শোনা গেলেও তিনি এখনও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি। অন্যদিকে জামায়াত তাদের প্রার্থী এ্যাডভোকেট ওজিউর রহমানের নাম ঘোষণা করলেও তিনিও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি।