২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উগ্র সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বানানোর নীলনক্সা পরাজিত শক্তির

  • মদদ দিচ্ছে পাকিস্তান

গাফফার খান চৌধুরী ॥ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে উগ্র সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করার নীলনক্সা অনুযায়ী শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। চার শ’ বছরের ঐতিহাসিক ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করে পাকিস্তানের মতো সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সক্রিয় এই ষড়যন্ত্রকারীরা। সংখ্যালঘু খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও হুমকি এই প্রক্রিয়ারই অংশ। পাকিস্তানের আদলেই চলছে এসব হামলা। হামলার ধরন ও ফর্মুলাও এসেছে পাকিস্তান থেকে। দেশের ভেতরে কলকাঠি নাড়ছে স্বাধীনতাবিরোধী একটি শক্তি। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে উঠে এসেছে এসব তথ্য। পাকিস্তানে দীর্ঘদিন ধরেই শিয়া-সুন্নি দাঙ্গা চলে আসছে। মসজিদে ঢুকে গুলি করে মুসল্লি হত্যার ঘটনা প্রথম ঘটানো হয়েছে পাকিস্তানে। বাংলাদেশেও বগুড়ায় মসজিদে মুসল্লিদের ওপর গুলি চালানো হয়। বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয় শিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী মিছিলপূর্ব প্রস্তুতি সমাবেশের ওপর। এর নেপথ্যে রয়েছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত। আর তাদের মদদ দিচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী বিশ্বের কয়েকটি প্রভাবশালী দেশ। পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করে জঙ্গীবাদ উত্থানের অজুহাতে বাংলাদেশে বিদেশী হস্তক্ষেপের পথ সুগম করতেই এমন অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে মনে করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। মাঠপর্যায়ে থেকে এসব হামলা চালাচ্ছে জামায়াতের বি টিম হিসেবে পরিচিত জেএমবির একটি পৃথক গ্রুপ, যে গ্রুপটি ছাত্রশিবির নিয়ন্ত্রণ করছে।

গত ২২ অক্টোবর গাবতলীর আমিনবাজারে চেকপোস্টে তল্লাশিকালে পুলিশের এএসআই ইব্রাহিম মোল্লাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। পালানোর সময় গ্রেফতার হয় বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাথী মাসুদ রানা। মাসুদ রানা জানায়, ইব্রাহিম মোল্লাকে তার সামনেই একই উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি কামাল হোসেন হত্যা করে। মাসুদ রানার দেয়া তথ্যমতে, রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থেকে পাঁচটি হ্যান্ডগ্রেনেডসহ জামায়াতকর্মী আব্দুল আজিজ মিয়া (৬০) ও তার দুই ছেলে শিবিরকর্মী ফজলে রাব্বী এবং রাকিব হাসান গ্রেফতার হয়।

পরদিন ২৩ অক্টোবর রাত ২টার দিকে হোসেনী দালানে শিয়া সম্প্রদায়ের তাজিয়া মিছিলে চার শ’ বছরের ইতিহাস ভেঙ্গে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় দু’জন সুন্নি মুসলমান নিহত হন। আহত হন দেড় শতাধিক। আহতদের মধ্যে প্রায় সবাই সুন্নি মুসলমান। ঘটনাস্থল থেকে দুটি হ্যান্ডগ্রেনেড উদ্ধার হয়, যা কামরাঙ্গীরচর থেকে উদ্ধারকৃত হ্যান্ডগ্রেনেডের সঙ্গে হুবহু মিল রয়েছে। গত ২৫ নবেম্বর হোসেনী দালানে বোমা হামলার ঘটনায় চান মিয়া, মোঃ ওমর ফারুক ওরফে মানিক ও মোঃ শাহ জালাল, হাফেজ ক্বারী আহসান উল্লাহ মাহমুদ ও মোঃ কবির হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আশিককে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। অভিযানে হোজ্জা নামে একজন নিহত হয়।

হোসেনী দালানে বোমা হামলার তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, জেএমবির একটি গ্রুপ পুলিশ, পীর, ধর্মযাজক হত্যা, ব্যাংক ডাকাতি, ছিনতাই ও শিয়াদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত। এই গ্রুপটির বর্তমান নেতৃত্বে রয়েছে ফারুক। গ্রুপটির বর্তমান নেতৃত্ব ছাত্রশিবিরের হাতে। হোসেনী দালানের বোমা হামলায় গ্রেফতারকৃতরা এবং নিহত হোজ্জা এক সময় সরাসরি ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। হোজ্জা ও রাশেদ হামলায় সরাসরি অংশ নিয়েছিল। শিয়াদের ওপর হামলার প্রথম টার্গেট হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছিল মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদকে। কিন্তু সে পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে হোসেনী দালানে বোমা হামলা চালানো হয়।

এ বিষয়ে মোহাম্মদপুরে আটকে পড়া পাকিস্তানীদের ক্যাম্পের পক্ষ থেকে বের করা তাজিয়া মিছিল কমিটির সভাপতি এবং সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে নন-লোকাল রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান গোলাম জিলানী জনকণ্ঠকে বলেন, তাজিয়া মিছিলে হামলার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারের স্থানীয় প্রতিনিধি ও সকল গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে তাদের দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে তাজিয়া মিছিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তরফ থেকে হামলার আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। এজন্য মোহাম্মদপুর এলাকায় মিছিল সংক্ষিপ্ত করা হয়েছিল। তারপরও মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে তাজিয়া মিছিলকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে।

হোসেনী দালানে বোমা হামলার নেপথ্যে স্বাধীনতাবিরোধীরা দাবি করে তিনি জনকণ্ঠকে আরও বলেন, বাংলাদেশেও পাকিস্তানের মতো শিয়া-সুন্নি দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা চলছে। দেশকে জঙ্গী রাষ্ট্র হিসেবে সারা দুনিয়ায় পরিচিত করতেই এমন অপতৎপরতা চলছে। এমন অপতৎপরতার পেছনে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত রয়েছে। দেশীয় অপতৎপরতাকারীদের মধ্যে স্বাধীনতাবিরোধীদের জড়িত থাকার বিষয়টি দিবালোকের মতো স্পষ্ট। পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশকেও নতুন করে পরাধীন করার অপচেষ্টা চলছে। মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদে গিয়ে দেখা গেছে, মসজিদের চারদিকে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। মসজিদের ভেতরে বাইরের লোকজনের চলাচল অনেকটাই নিষিদ্ধ। চারদিকে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। মসজিদের মূল ভবনের প্রবেশপথে বসানো হয়েছে আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টর।

মসজিদটিতে চার বছর ধরে ভলান্টিয়ার হিসেবে দায়িত্বরত একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ থার্ড সেমিস্টারের ছাত্র রিয়াজ বলছিলেন, তাজিয়া মিছিলে শিয়া ও সুন্নি দুই সম্প্রদায়ের মুসলমানই অংশ নেন। শিয়ারা হায় হোসেন বলে মাতম করে। তবে সুন্নিদের মধ্যে সাধারণত সেটি দেখা যায় না বা করেন না। যারা তাজিয়া মিছিলে ও মসজিদের ভেতরে হামলা চালায়, তারা মুসলমান নামের কলঙ্ক। তারা প্রকৃত মুসলমান কি-না সে বিষয়ে সন্দেহ আছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে পরাজিত শক্তিই এসব হামলা চালাচ্ছে। এটি একটি পাকিস্তানী কায়দা। সে দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিয়া-সুন্নি দাঙ্গা চলে আসছে। বাংলাদেশেও শিয়া-সুন্নি দাঙ্গা বাধিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। দেশকে একটি জঙ্গী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত করে বিদেশীদের হস্তক্ষেপ করার রাস্তা তৈরি করে দিতেই এমন চেষ্টা। এর সঙ্গে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত থাকার বিষয়টি পাগলেও বোঝে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে জামায়াত, উগ্র মৌলবাদী ও জঙ্গী সংগঠনগুলো আগাগোড়াই তৎপর রয়েছে। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকাতেও বিভিন্ন অপতৎপরতা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। জেএমবি মূলত জামায়াতের সৃষ্টি। ধারাবাহিক অভিযানে জেএমবির অস্তিত্ব সঙ্কটের মুখে পড়লে জামায়াতের কেন্দ্রীয় শূরা কমিটির সদস্য মুফতি মাওলানা সাইদুর রহমান জাফরকে সংগঠনটির আমির করা হয়। সাইদুর রহমান দলের কিছু সক্রিয় ক্যাডারকে দেশীয় প্রশিক্ষণ দেয়ার পর উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পাঠায়। তারমধ্যে তার দুই মেয়ের জামাই সাথাওয়াতুল কবির ও কারগিল ওরফে ইজাজ রয়েছে। ইজাজের অর্থ ও বুদ্ধি-পরামর্শেই বাংলাদেশে সদ্য নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের জন্ম হয়েছে। জঙ্গী সংগঠনটির সার্বিক কার্যক্রম পাকিস্তানে অবস্থিত জেএমবি সদস্যরা মনিটরিং করত।

চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানী পুলিশের অভিযানে কারগিল মারা যায়। তার আগেই বাংলাদেশে ফেরত আসে কবির। কবিরের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে জেএমবির একটি ২০ সদস্যের প্রশিক্ষিত দল ইরাক ও সিরিয়াভিত্তিক জঙ্গী সংগঠন আইএসে যোগ দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। পরবর্তীতে কবির ডিবির হাতে গ্রেফতার হয়। মূলত দুটি দেশের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের উত্থান ঘটানো, হামলা ও প্রকাশক, লেখক, ব্লগার হত্যা থেকে শুরু করে পীর হত্যা এবং দরবার শরীফে হামলার পুরো প্রক্রিয়াটির সঙ্গে জড়িত।

কবিরের বরাত দিয়ে গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তানে এখনও অন্তত শতাধিক জেএমবি সদস্য রয়েছে। তারা নিয়মিত বাংলাদেশে জেএমবিকে টাকা পাঠায়। এছাড়া দুটি আন্তর্জাতিক চক্র পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে জঙ্গী রফতানি করছে। জঙ্গী রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে গিয়ে জঙ্গী প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের বেশি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধীরা দেশে থেকে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছে। দেশী-বিদেশী চক্রের সার্বিক তত্ত্বাবধানেই বাংলাদেশে মারাত্মক নাশকতামূলক কর্মকা- চলছে। গত ২৯ নবেম্বর ডিবির হাতে গ্রেফতারকৃত তিন পাকিস্তানী ও একজন আটকে পড়া পাকিস্তানী সেই দলেরই সদস্য।

এ বিষয়ে ডিবির যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করতেই এমন অপতৎপরতা চলছে। এর সঙ্গে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত থাকার বিষয়টি স্পষ্ট। বিশেষ করে স্বাধীনতাযুদ্ধে পরাজিত শক্তিই এসব অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তারা বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে একটি জঙ্গী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত করে সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, স্বাধীনতাবিরোধীরা বাংলাদেশকে একটি জঙ্গী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে নানামুখী অপতৎপরতা চালাচ্ছে। এজন্য তারা পাকিস্তান থেকে জঙ্গী প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের দেশে আনছে। পাকিস্তান থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জঙ্গীরা দেশে ফিরে এবার শারদীয় দুর্গোৎসবে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা বাধানোর পরিকল্পনা করছিল। মহররমের তাজিয়া মিছিল থেকে বিজয়া দশমীর মিছিলে হামলার চূড়ান্ত পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত সরকারের তৎপরতার কারণে ব্যর্থ হয়ে যায়। তারই ধারাবাহিকতায় হোসেনী দালানে বোমা হামলা হয়। বোমা হামলার আগে শিয়ারা প্রকৃত মুসলিম নয় বলে পুরান ঢাকার বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসায় প্রচার-প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে। প্রচার-প্রোপাগান্ডা চালানোর নেপথ্য কারিগর ছিল জামায়াত-শিবির।

হোসেনী দালানের খাদেম মোহাম্মদ ফারহান জনকণ্ঠকে বলেন, চার শ’ বছরের ইতিহাসে হোসেনী দালানে এমন ঘটনা ঘটেনি। এর পেছনে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত থাকা বিচিত্র নয়।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান জিয়া রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করে দেশে জঙ্গীবাদের উত্থান ঘটাতেই স্বাধীনতাযুদ্ধে পরাজিত শক্তি এসব হামলা চালাচ্ছে, যাতে জঙ্গীবাদের অজুহাতে দেশে বিদেশীদের হস্তক্ষেপ করা সহজ হয়। এর সঙ্গে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত রয়েছে। পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশেও শিয়া-সুন্নি দাঙ্গা বাধানোর অপকৌশল হিসেবে হোসেনী দালান ও বগুড়ায় শিয়া মসজিদে গুলি চালিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটানো হতে পারে। পুরো প্রক্রিয়াটির সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোন চক্র ও গোয়েন্দা সংস্থা জড়িত কি-না সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দ্রুত তদন্ত করে দেখা দরকার।

যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বার বারই বলে আসছেন, দেশ ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এমন ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ষড়যন্ত্রের সঙ্গে দেশী-বিদেশী চক্র জড়িত থাকতে পারে।