১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিনিয়োগ বাড়াতে এক অঙ্কের সুদহার চান ব্যবসায়ীরা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোক্তাদের জন্য স্বতন্ত্র সুদহার নির্ধারণের দাবি করেছে স্বাধীনতা ব্যবসায়ী পরিষদ। এ সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ। সংগঠনটির সভাপতি ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল কাশেম আহমেদ বলেন, ব্যাংক ঋণের সুদহার কিছু কমলেও তা এখনও অনেক বেশি। বিনিয়োগ বাড়াতে সিঙ্গেল ডিজিট সুদহার নির্ধারণ করতে হবে। ১৯-২০ শতাংশ সুদ ও অতিমাত্রায় সার্ভিস চার্জ নেয়ায় উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করতে ভয় পাচ্ছেন। কেউ আর ঝুঁকি নিয়ে নতুন বিনিয়োগে এগিয়ে আসছে না। তিনি বলেন, সরকারী বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিরাজ করলেও শুধুমাত্র উচ্চমাত্রার সুদহার নির্ধারণে দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না। তাই সুদহার কমিয়ে নতুন বিনিয়োগে উৎসাহিত করা প্রয়োজন। এছাড়া শিল্পকারখানায় গ্যাস সংযোগ দিতে হবে। উৎপাদন বাড়ায় বিদ্যুত নিয়ে কোন সঙ্কট দেখা যাচ্ছে না।

জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে অর্থনীতির উন্নয়নের প্রধান সূচক জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়। এজন্য প্রয়োজন ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি। এ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধান তিনটি সমস্যা হচ্ছে- অবকাঠামোর অভাব, ঋণের উচ্চ সুদহার এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। কিন্তু ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির অন্যতম বাধা হলো বিদ্যুত, গ্যাস প্রাপ্তিতে বিলম্ব, বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকরণে জটিলতা, জমির অভাব ও ঋণের উচ্চ সুদহার। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মানছে না ১৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংক। এর মধ্যে ১৩টিই বেসরকারী ও ৬টি বিদেশী ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণের সুদের হার কমাতে ঋণ ও আমানতের সুদের হারের ব্যবধান (স্প্রেড) ৫ শতাংশের মধ্যে রাখার নির্দেশ রয়েছে।