২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শীতের ফ্যাশনে জ্যাকেট

  • মাহবুব শরীফ

এবারের শীত শুরু হল কম শীত দিয়ে। তবে তরুণরা কিন্তু ভারী কাপড় কিনতে শুরু করেছে। শীতে শরীরে ভারী কাপড় ব্যবহার করা মানে পাতলা কাপড়ের সব ফ্যাশন ছাই। বয়স্করা এ ব্যাপারে ভাবছেন না কিন্তু তরুণরা অনেক ভাবছেন। তাই বিভিন্ন কম্পানী এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে বাজারে ছেড়েছে ফ্যাশনএ্যাবল জ্যাকেট। শাড়ীর সঙ্গে কামিজ, প্যান্টের সঙ্গে পরতে পারবেন এই জ্যাকেট। অনেক জ্যাকেট সামনে একেবারে খোলা থাকে আবার অনেক গুলোতে থাকে বোতাম চেইন, ফিতা ইত্যাদি। মানুষভেদে পছন্দ আলাদা তাই ফ্যাশনের কালেকশন ও আলাদা। যাই বলেনÑ ফ্যাশনে যুক্ত হয়েছে জ্যাকেট। তরুণরাও স্বাগত জানিয়ে গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজের মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এবার শীতে ফ্যাশনএ্যাবল জ্যাকেটের ক্রেতা বেশীর ভাগই হলো নারী। ফ্যাশন হাউজ গুলোও নারীদের কে প্রাধান্য দিয়ে তৈরী করেছে পোশাক গুলো।

যেখানে পাওয়া যাবে

রাজধানীর যতোগুলো ফ্যাশন হাউজ রয়েছে সবগুলোতেই পাবেন জ্যাকেটের প্রদর্শন। উন্নতমানের কিনতে হলে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের শো-রুমে যাওয়াই ভালো। যেমন যেতে পারেন- ক্যাটস্ আই, একস্ট্যাসি, আর্টিস্টি, ফ্রিল্যান্ড, ওটু, স্মার্টেক্স, প্লাস পয়েন্ট, তানজিম স্ট্রিট, ইনফিনিটি, কান্ট্রি বয়, রেক্স সহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজে। এছাড়াও পাবেন বড় বড় সব শপিং কমপ্লেক্স গুলোতে। নিউ মার্কেট, বঙ্গবাজার, ইসলামপুর, বদরুদ্দোজা সুপার মার্কেট, আজিজ সুপার মার্কেট, রাজধানী সুপার মার্কেট, প্রিন্স প্লাজাসহ বিভিন্ন মার্কেট গুলোতে পাবেন জ্যাকেটের শো-রুম।

জ্যাকেটের দর-দাম

যেহেতু আপনি বাজার ঘুরে জ্যাকেটটি কিনতে চাচ্ছেন। দর দাম সম্পর্কে একটু অভিজ্ঞতা নিয়ে গেলে অবশ্যই আপনার সহযোগীতা হবে। বেশ কতোগুলো ফ্যাশন হাউজ ঘুরে আপনাদেরকে দরদামের একটি ধারনা দিচ্ছিÑ রেকসিন জ্যাকেট পাবেন-১২শ থেকে ২৫শ টাকার মধ্যে, চামড়ার জ্যাকেট ২২শ থেকে ১২ হাজার টাকার মধ্যে। রেইন কোর্টের মতো পাতলা কাপড়ের জ্যাকেট পাবেন- ১৫শ টাকা থেকে ৩৫শ টাকার মধ্যে, মকমলের জ্যাকেট পাবেন- ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকার মধ্যে। সুতি কাপড়ের জ্যাকেট ১৮শ থেকে ৫ হাজার টাকায় এবং খাদি কাপড়ের জ্যাকেট ১ হাজার থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকার মধ্যে পাবেন। বাংলাদেশী ক্রেতাদের রুচি যাচাই-বাছাই করে, বিদেশী কম্পানী গুলো এবার তৈরী করেছে ফ্যাশনএ্যাবল জ্যাকেট। বাজারে চায়না, জ্যাকেটে ছেয়ে গেছে।

প্রায় প্রতি শো-রুমে দোকান গুলোতে পাবেন চায়না জ্যাকেট, যেমন কোয়ালিটি, তেমনি রং। সেলাইয়ের মানও ভাল। বর্তমানে আজকের তরুণরা চায়না জ্যাকেট বেশ পছন্দ করে। দামের হিসাব করলে দেশী তৈরী জ্যাকেট ও চায়না জ্যাকেটের দাম প্রায় কাছাকাছি।

বিদেশী জ্যাকেটের মধ্যে প্রসিদ্ধ হলো- ইরানী, অ্যারাবিক, বিলেতি ইত্যাদি। তবে দেশের তৈরী জ্যাকেটগুলো মফস্বল এলাকায় বেশ চলছে। নি¤œ আয়ের লোকজন দেশীয় তৈরী জ্যাকেটই বেশি পছন্দ করে।

ছবি : আরিফ আহমেদ

মডেল : ইমন, আশা ও মাহি