২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লালমনিরহাটে চলছে নগ্ন নৃত্য ও জুয়ার আসর

নিজস্ব সংবাদদাতা, লালমনিরহাট ॥ লালমনিরহাটে আমন ধানের ভরা মৌসুম চলছে। কৃষকের হাতে এসেছে নগদ অর্থ। এই অর্থ হাতিয়ে নিতে গ্রামে গ্রামে চলছে যাত্রা পালার নামে নগ্ন নৃত্যের আসর। আসরের পাশে বসেছে জুয়া ও মাদকের আড্ড। দেখার কেউ নেই। রাত যত গভীর হয়। শহরেও ভেসে আসে এই সব আসরে হিন্দি গানের বেসুরে বেজে উঠা মূচ্ছর্না। ড্রাম ও বাদ্যযন্ত্রের শব্দ। সকলের কাছে এই সব অশ্লিলতা ও অসামাজিক কর্মকান্ডের খবর পৌচ্ছে যায়। কিন্তু যারা এসব অসামাজিক কর্মকর্ন্ডা বন্ধ কথা। তাদের ভূমিকা রহস্যজনক। এদিক হতে আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যতিক্রম। জুয়া ও নগ্ন নৃত্য প্রতিরোধ জিরো টলারেন্স ভূমিকা রেখেছে। যতই দূর্গম চরাঞ্চল হউক । ভ্রাম্যমান আদালত নিয়ে পৌচ্ছে যাচ্ছে।

তবে ব্যতিক্রম আছে। জেলার আদিতমারী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম একজন ব্যতিক্রম মানুষ। তিনি জুয়া ও নগ্ন নৃত্যের খবর পাওয়ার সাথে সাথে ভ্রাম্যমান আদালত নিয়ে হাজির। সেটা যত দূর্গম চরাঞ্চল হউক। জুয়া ও নৃত্য বন্ধ করতে জিরো টলারেন্স গ্রহন করছেন। শুক্রবার ভোররাতে তিস্তা নদীর দূর্গম চর গোবর্ধনে জুয়া ও নগ্ন নৃত্যের অস্থায়ী মঞ্চ আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। এ সময় জুয়ারী ও নগ্ন নৃত্যের আয়োজকরা পালিয়ে যায়।