২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভৈরব বিএনপিতে কোন্দল

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভৈরব, ৪ ডিসেম্বর ॥ দীর্ঘ পনেরো বছর পর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে নৌকা প্রতীকে মেয়র পদে নির্বাচন করবেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দু’বারের সফল মেয়র এ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ। তিনি দু’বার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন। এবার নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে পেরে প্রধানমন্ত্রী ও দলের সকল নেতাকর্মীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মেয়র এ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১১ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত পর পর দু’বার ১২ বছর মেয়র পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে সময়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোঃ সায়দুল্লাহ মিয়া ও ইফতেখার হোসেন বেনুকে পরাজিত করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেন। দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে ১৯৯৯ সালে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও কেদ্রীয় আওয়ামী লীগ তা গ্রহণ করেনি। তবে স্থানীয় নেতারা তাকে দল থেকে দূরে রেখেছেন। তারপরও আক্কাছ আওয়ামী লীগ ছাড়েননি। ২০১১ সালের পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী মোঃ সায়দুল্লাহ মিয়া ও বিদ্রোহী প্রার্থী ইফতেখার হোসেন বেনু মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নেন। আর এ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেন। তিনি বিএনপি প্রার্থী হাজী মোঃ শাহিনের কাছে মাত্র ৬শ’ ৭ ভোটে পরাজিত হন। আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থীর সুযোগ কাজে লাগায় বিএনপি। পরাজিত হওয়ার কারণ ছিল আওয়ামী লীগের তিন প্রার্থী। তখন আওয়ামী লীগের তিন প্রার্থী মোট ৩১ হাজার ৮শ’ ৬৫ ভোট পেয়েছিলেন। এ সুযোগে বিএনপি প্রার্থী হাজী মোঃ শাহিন ১২ হাজার ৩শ’ ৮৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন। এবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মেয়র পদে নির্বাচন করতে এ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছকে মনোনয়ন দেয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ সঠিকভাবে ভোটারদের কাছে যেতে পারলে বিপুল ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিএনপির একক প্রার্থী হাজী শাহিন ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও ভৈরব থানা ও পৌর বিএনপির কমিটি নিয়ে কোন্দল থাকায় দলের ভেতরে চলছে হিসাব-নিকাশ। তাছাড়া ভৈরবের বিএনপির বৃহত্তম অংশ হাজী শাহিনকে ভৈরবে অবাঞ্ছিত ঘোষণাসহ প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়। ফলে পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি চরম সঙ্কটে রয়েছে। কোন্দলের সুযোগ কাজে লাগাতে মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ।