২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

২ কর্মী গ্রেফতারের প্রতিবাদ চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ ছাত্রলীগ সংঘর্ষ, বিজিবি মোতায়েন

নিজস্ব সংবাদদাতা, চুয়াডাঙ্গা, ৪ ডিসেম্বর ॥ খালিদ ও আসাদ নামে ২ ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেফতারের প্রতিবাদে চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সদর থানার সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ ও ২ প্লাটুন বিজিবি।

জানা গেছে, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে পৌর এলাকার সাতগাড়ী মহল্লার একটি বাড়িতে হামলার খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ২ ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করে। খবর পেয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিকসহ কয়েকজন নেতা-কর্মী থানায় যায়। থানার মধ্যে পুলিশ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। একপর্যায়ে তারা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ৩টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় পুলিশ বিক্ষুব্ধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে ৫ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। খবর পেয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন থানায় উপস্থিত হন। কার নির্দেশে তারা গুলি ছুড়ল তিনি জানতে চান। সেখানে তিনি পুলিশ সুপার রশীদুল হাসানকে যুবলীগ কর্মী আজিজুল হত্যা মামলার আসামিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেন। অন্যথায় এসপি অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেন।

পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান রাত সাড়ে ১১টায় থানা চত্বরে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, ৫ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি খালিদসহ ২ জনকে আটক করলে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে।

পুলিশী হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেল ৫টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য পুলিশ সুপারকে দায়ী করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাতীয় সংসদের হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।