২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাংলাদেশের শান্তির সংস্কৃতির প্রস্তাব জাতিসংঘে এবারও বিনাভোটে পাস

বিডিনিউজ ॥ বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী হামলা ও অসহিষ্ণুতা মোকাবেলায় শান্তির সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশের তোলা ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ে প্রস্তাবনা জাতিসংঘে গৃহীত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে প্রস্তাবটি তুললে তা বিনাভোটে সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শান্তির দর্শনের আলোকে ১৯৯৯ সাল থেকে বাংলাদেশের এই প্রস্তাব বিপুল ভোটে গৃহীত হচ্ছে। তবে এবারই প্রথম ৯৩টি দেশের সহ-উদ্যোগে বিনাভোটে গৃহীত হলো। এই প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ২০টি সদস্য রাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধিরা। মাসুদ বিন মোমেন বলেন, এ প্রস্তাব বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বিশ্বে মমত্ববোধ বাড়বে। মানুষে মানুষে হিংসা-বিদ্বেষ এবং যুদ্ধবিগ্রহ হ্রাস পাবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালবাসা দৃঢ় হবে, যা সব দেশ ও বিশ্বের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১৯৯৯ সালে প্রথম ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাব উপস্থাপনের পর বিশ্বব্যাপী ‘শান্তির সংস্কৃতি দশক (২০০১-২০১০)’ উদযাপিত হয়। সাধারণ পরিষদের সভাপতি মগেন্স লীকেটফ উদ্বোধনী বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, সাম্প্রতিক জঙ্গী আক্রমণ ও অসহিষ্ণুতা মোকাবেলায় শান্তির সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।