১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মার্কিন কর্তৃপক্ষের চোখের আড়ালে থেকে যায় দুই হামলাকারী

মার্কিন ফেডারেল তদন্ত ব্যুরোর (এফবিআই) হাতে চরমপন্থীদের সহিংসতা বিষয়ক প্রায় এক হাজার মামলা রয়েছে। ব্যুরো সন্ত্রাসী দলগুলোর সঙ্গে সন্দেহজনক সম্পর্ক রয়েছে- এমন কয়েক শ’ লোকের খোঁজ করছে। সংস্থাটি তাদের অন্তত ৬০ জনকে ইসলামিক স্টেট বিষয়ক অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করেছে। খবর ওয়াশিংটন পোস্ট অনলাইনের।

কিন্তু গোয়েন্দাদের ওই জাল কখনও ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান বারনারডিনোর গুলিবর্ষণকারীদের কাছেও পৌঁছতে পারেনি। তাদের আধাসামরিক কায়দায় চালানো হামলা ঠেকাতে কর্তৃপক্ষকে ক্ষমতাহীন বলেই মনে হয়। ঘটনা পরম্পরায় কতগুলো উদ্বেগজনক ক্লু ধরা পড়ে। দুই ঘাতক সৈয়দ রিজওয়ান ফারুক (২৮) ও তার স্ত্রী তাশফিন মালিক (২৭) তাদের বাড়িতে এক ক্ষুদ্র অস্ত্রভা-ার গড়ে তুলেছিলেন। একই সময়ে তারা ইসলামিক স্টেটের প্রতি অনুগত হতে থাকেন। ফেসবুকে দেয়া এক ঘোষণায় এ আনুগত্যের বিষয়টি প্রকাশ পায় বলে কর্তৃপক্ষ জানায়। মার্কিন কর্মকর্তারা আরও বলেন, হামলাকারীদের একজন বা উভয়েই এর আগে এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন, যাদের চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি এফবিআইয়ের নজরদারিতে ছিল। কিন্তু ওই যোগাযোগকে এতই দোষশূন্য বলে বর্ণনা করা হয় যে, ব্যুরো এ নিয়ে আরও তদন্ত চালানোর কোন কারণ দেখেনি। মার্কিন কর্মকর্তারা ও সন্ত্রাস দমন বিশেষজ্ঞরা বলেন, হামলার মিশ্র প্রকৃতি এমন এক হুমকি উদ্ঘাটন করে যে, যা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সামর্থ্যকে ক্ষুণœ করতে পারে, তারা যত চেষ্টাই করুক না কেন। ওই হামলায় ইসলামী জঙ্গী এজেন্ডা, কর্মস্থল নিয়ে অভিযোগ থাকার সম্ভাবনা এবং বৈধ উপায়ে অস্ত্র সংগ্রহ- এ তিন উপাদনের মিশ্রণ ঘটেছিল। ডার্ট মাউথ কলেজের অধ্যাপক ড্যানিয়েল বেঞ্জামিন বলেন, হামলার লক্ষ্যস্থল এবং অস্বাভাবিকতার কথা বিবেচনা করলে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দেবে- এমন কিছু উপাদানের সংমিশ্রণ সেখানে ছিল কিনা তা ভাবতে হবে। তিনি বলেন, মোটিভগুলো এতই সংমিশ্রিত ছিল যে, এতে জড়িত ব্যক্তিদের চরমপন্থী মতবাদ বা সংশ্লিষ্টতা ছিল কিনা তা আসলে স্পষ্ট হয়ে ওঠে না।

মসুল থেকে তুর্কি সেনা প্রত্যাহারের দাবি ইরাকের

ইসলামিক স্টেটের (আইএস) দখল করা উত্তর ইরাকের মসুল শহরের কাছে মোতায়েন তুর্কি সেনাদের প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ইরাক সরকার। ইরাকী প্রধানমন্ত্রী হায়দায় আল আবাদির কার্যালয় থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে ইরাকের অভ্যন্তরে তুর্কি সেনা পাঠানোকে ‘ইরাকের সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

প্রকাশিত পূর্ববর্তী প্রতিবেদনগুলো থেকে জানা গেছে, কুর্দি বাহিনীগুলোকে প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্দেশে ইরাকের বাশিকা শহরের কাছে প্রায় ১৫০ জন তুর্কি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। বিবৃতিতে তুরস্ককে ‘প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে এবং ইরাকী ভূখণ্ড থেকে তাৎক্ষণিকভাবে (সেনা) প্রত্যাহার করতে’ বলা হয়েছে। বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলের সঙ্গে তুরস্ক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখলেও সীমান্ত এলাকার সিরীয় কুর্দি গোষ্ঠীগুলোকে শত্রুভাবাপন্ন মনে করে। গত বছর থেকে আইএসের দখলে থাকা মসুল উদ্ধারে ইরাকী বাহিনীর অভিযান পরিকল্পনা বেশ কয়েকবার পিছিয়ে দেয়া হয়। -ওয়েবসাইট।