১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সৈয়দপুরে রেল কোয়ার্টারের অর্ধেকই বেদখল

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ সৈয়দপুরে রেলওয়ের কমপক্ষে ৩০০ একর জমি অবৈধ দখলে চলে গেছে। এসব জমিতে গড়ে উঠেছে প্রায় পাঁচ হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়ি। এছাড়া বিভিন্ন মহল্লায় রেলওয়ের ১ হাজার ৩২৫টি কোয়ার্টার বেদখল হয়েছে। সৈয়দপুরে রেলভূমি দখল-সংক্রান্ত দুই হাজারেরও বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র শনিবার জানায়, সৈয়দপুরে রেলওয়ের সম্পত্তি ৮০০ একর। এর মধ্যে পৌর বাজার রয়েছে পঁচিশ একর জায়গায়। রেলওয়ের বিভিন্ন মহল্লায় দুই হাজার ৪৮০টি কোয়ার্টারের মধ্যে অবৈধ দখলে চলে গেছে এক হাজার ৩২৫টি। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রথমে ওই কোয়ার্টারগুলো দখলে নিয়ে পরে বিক্রি করে দেন। সৈয়দপুর শহরের মিস্ত্রিপাড়া, গার্ডপাড়া, খালাসী মহল্লা, গোলাহাট, ইসলামবাগ, রসুলপুর, মুন্সিপাড়া, নতুন বাবুপাড়া, শহীদ আতিয়ার কলোনিতে রেলের অসংখ্য কোয়ার্টার বেদখল হয়েছে। কোয়ার্টারগুলোর পাশের বিপুল পরিমাণ জমিও দখল হয়েছে।

এসব জমিতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য বহুতল ভবন। রেলের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রকৌশলী নুরুজ্জামান জোয়ারদার অভিযোগ করেন, রেলওয়ের কিছু কর্মকর্তা উৎকোচের বিনিময়ে রেলভূমি দখলে সহায়তা দিচ্ছেন। রেলওয়ের বিভাগীয় ভূস¤পত্তি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ বলেন, ইতোমধ্যে আমরা অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছি। তবু দখল থেমে নেই। শীঘ্রই নতুন করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।

ঈশ্বরদী

স্টাফ রিপোর্টার, ঈশ্বরদী থেকে জানান, পশ্চিমাঞ্চল পাকশী বিভাগের রেলওয়ে সম্পদ, অবৈধ দখলে রেলওয়ে জমি, স্টাফ কোয়ার্টার ও বিদ্যুত অবৈধভাবে ব্যবহারের কারণে প্রতি বছরই রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ কমছে। অবৈধ দখলদাররা কোটি কোটি টাকা আয় করলেও সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব প্রাপ্তিতে। বৃদ্ধি পেয়েছে হত্যা, গুম, লুটপাট, মাদক ও অস্ত্রের ব্যবহার।

পাকশীতে রেলওয়ের বিদ্যুত অবৈধ সংযোগ দিয়ে মাসে কয়েক লাখ টাকা বাণিজ্য করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্রের সহযোগিতায় বিদ্যুত বিভাগের দু’তিনজন কর্মচারী এসব কাজে জড়িত। অপরদিকে পদ্মা নদীর গাইড বাঁধে সম্প্রতিক সময়ে গড়ে উঠেছে হঠাৎপাড়া। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী ও চিহ্নিত চক্র রেলওয়ের জমি প্লট করে বহিরাগতদের কাছে কয়েক কোটি টাকা বিক্রি করে। বহিরাগত ক্রেতারা দিনের পর দিন এসব জমি কিনে বাড়ি ঘর তৈরি করতে করতে এ এলাকার নাম এখন হঠাৎপাড়া হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

এই হঠাৎপাড়ায় বসবাস করছে ৪ শতাধিক পরিবার। যাদের বেশির ভাগই নদী ভাঙ্গন এলাকা চিলমারী, গাংনী, মেহেরপুর থেকে আসা।

এইউবির ইংরেজী বিভাগের গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রাম

বুধবার এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ইংরেজী বিভাগের ২৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়েশা মিলনায়তনে। বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর হাফিজুর রহমান মিয়ার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলঙ্কৃত করেন এইউবির প্রতিষ্ঠাতা ও উপাচার্য প্রফেসর ড. আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কেএম মনিরুল ইসলাম, ইংরেজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মহসিন মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। -বিজ্ঞপ্তি