২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্বতন্ত্রের ‘আড়ালে’ মেয়র পদে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত

  • রাজশাহীর তিন পৌরসভা

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ পৌরসভা নির্বাচনে রাজশাহীতে স্বতন্ত্রের আড়ালে কৌশলে প্রার্থী হয়েছেন জামায়াত নেতারা। রাজশাহীর কাটাখালি, নওহাটা, গোদাগাড়ী, কেশরহাট ও মুন্ডুমালা পৌরসভায় জামায়াতের পাঁচ নেতা মেয়রপদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ পৌরসভাগুলোতে বিএনপির সমর্থনও চেয়েছে তারা।

তবে শেষপর্যন্ত বিএনপি নেতারা রাজশাহীর তিনটিতে ছাড় দিতে রাজি হয়েছে। বাকি দুইটিতেও ছাড় দিতে চাপে রাখলেও নিজেরদের মতো ভোট করতে বিএনপি নেতারা জানিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে দলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।

যে তিনটি পৌরসভায় বিএনপি জামায়াতকে ছাড় দিতে রাজি হয়েছে সেগুলো হলো- কেশরহাট, কাটাখালি ও মুন্ডুমালা পৌরসভা। ছাড় দেয়ার কারণে সেই পৌরসভাগুলোতে বিএনপি তাদের নামমাত্র (ডামি) প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে বলেও জানিয়েছে বিএনপির ওই সূত্রটি।

জানা গেছে, তানোর উপজেলার মু-ুমালা পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন পৌর জামায়াতের আমির আনিসুর রহমান, কেশরহাটে পৌরসভায় জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান, নওহাটায় পৌর জামায়াত আমির মশিউর রহমান, কাটাখালিতে পূর্ব জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য ও বর্তমান মেয়র মাজেদুর রহমান মাজেদ ও গোদাগাড়ীতে জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও বর্তমান মেয়র আমিনুল ইসলাম।

কাটাখালি পৌরসভা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘গত নির্বাচনে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে ৫২ ভোটে পরাজিত হন তিনি। এবার দলীয় নির্বাচনে মনোনয়ন পাবেন বলে নিশ্চিত ছিলেন। তবে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। গত নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর পোস্টার লাগানোর দায়িত্ব যার ওপর ছিল এবার তাকেই বিএনপির দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াত পাঁচটি পৌরসভায় বিএনপির ছাড় চেয়েছে। এতে জেলার নেতারা রাজি না হলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির উচ্চপর্যায়ের রাজশাহীর এক নেতা সমন্বয় করে তিনটিতে ছাড় দিয়েছে কৌশলে। কিন্তু সরাসরি ছাড় দিয়ে বিতর্ক এড়াতে তিনটিতে নামমাত্র বিএনপির প্রার্থী দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম।

কেশরহাট পৌরসভার ব্যাপারে তিনি বলেন, গত পাঁচ বছর দলে নিষ্ক্রিয় ছিলেন কেশরহাট পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলো। দলের নেতাকর্মীদের মাঝেও তার গ্রহণযোগ্যতা কমে গিয়েছে। এ কারণে ওই পৌরসভায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের এবার প্রার্থী পরিবর্তনের সুপারিশ করেছিল। কিন্তু তাকেই আবার মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। আর গোদাগাড়ী ও নওহাটা পৌরসভায় যোগ্য নেতাদেরই দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।