২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ফেসবুক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিন মন্ত্রী

ফেসবুক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিন মন্ত্রী

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ সফরে আসা জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের দুই প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সরকারের তিন মন্ত্রী।

আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শুরু হওয়া এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এবং তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমদ পলক।

অন্যান্যের মধ্যে বৈঠকে রয়েছেন স্বরাষ্ট্র সচিব মোজাম্মেল হক খান, পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক, র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান এবং পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারি।

ফেইসবুকের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন কোম্পানির দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ল’ এনফোর্সমেন্ট স্পেশালিস্ট বিক্রম লাংঘে এবং পাবলিক পলিসি ম্যানেজার দিপালী লিবারহান।

গত ১৮ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে ফেইসবুকসহ কয়েকটি অ্যাপ বন্ধ রয়েছে, যদিও বিকল্প পথে অনেকেই এসব ব্যবহার করছেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, বাংলাদেশে ফেসবুকের অপব্যবহারের ফলে নারীর প্রতি যে সহিংসতা হয়, সে সম্পর্কে আলোচনার জন্য সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়ার পাবলিক পলিসি ম্যানেজার এবং লিগ্যাল কনসালটেডকে পাঠিয়েছে।

তারানা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহার রোধের উদ্যোগে সাড়া দিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসেছে। তবে দেশের নিরাপত্তার জন্য যে অস্থায়ীভাবে ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে, এর সঙ্গে বৈঠকের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও জানান তারানা হালিম।

তিনি জানান, এর আগে বাংলাদেশের নারীরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ছবি আপলোডের ফলে তারা যে দুর্দশাগ্রস্ত হয় এমনকি আত্মহত্যাও করে, এর একটি প্রতারণার প্রমাণ ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠির মাধ্যমে পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, এসব বিষয় পশ্চিমা দেশগুলোর প্রেক্ষাপটে গ্রহণযোগ্য হতে পারে, তবে আমাদের দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে নারীরা যে বিপর্যয়ে পড়ে তার বিবরণ দেয়া হবে।

গত ৩০ নভেম্বর তারানা হালিম ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে এর অপব্যবহার নিয়ে একটি ইমেইল পাঠান। এর পরদিনই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বৈঠকে বসার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইমেইল পাঠায়। ইমেইলে ‘বাংলাদেশে ফেসবুকের ব্যবহারকারী তিন কোটি’- এর সুনাম রক্ষায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষের বৈঠকে বসার ব্যাপারে বিবেচনা করা উচিত বলে উল্লেখ করা হয়।