২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ॥ আইনমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আইনমন্ত্রী এ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। সংবিধান নাগরিকের মৌলিক অধিকারকে সুরক্ষা দিয়েছে। তাই মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী যেই হোক, সরকার কঠোর হাতে তাদের দমন করবে। দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে রবিবার সকালে সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের দু’দিনব্যাপী সেমিনারের উদ্বোধনী আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

নির্দিষ্ট সময় পর পর দেশের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনার (ইউপিআর) একটি খসড়া প্রতিবেদন তৈরি করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। দ্বিতীয় পর্যায়ের ‘ইউনিভার্সেল পিরিয়ডিক রিভিউ- ইউপিআর’ প্রণয়ন উপলক্ষে দু’দিনব্যাপী সেমিনারের আয়োজন করেছে জাতীয় এ সংস্থাটি। দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে দাবি করে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে আইনের শাসন আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এরাই এক সময় এ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করেছে।

দেশী-বিদেশী নানা চাপের মধ্যেও সরকার মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির রায় কার্যকর করেছে। এ বিচার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানুষের চাওয়া-পাওয়া, আশা-আকাক্সক্ষার কথা তুলে ধরতেই আমাদের এ আয়োজন। আজ এমন একটি মাসে আমরা এ আয়োজন করেছি, যে মাসে আমরা আমাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-ের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশ নাগরিক-রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এ চ্যালেঞ্জ থেকে পিছু হটার কোন সুযোগ নেই। অপরাধ-অপরাধীর কাছ থেকে নাগরিককে সুরক্ষা দেয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্রের এ দায়িত্ব পালন করে সরকার। ফলে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারকে কঠোর এবং সহনশীল দুটোই হতে হবে।