২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দারাজ ও রবির ফাটাফাটি ফ্রাইডের বর্ধিত সময় শেষ আজ

ফাটাফাটি ফ্রাইডে, বছরের সবচেয়ে বড় সেলস ইভেন্ট শুরু হয় ৪ ডিসেম্বর মধ্য রাত থেকে, আয়োজনে পাইওনিয়ার ই কমার্স প্লাটফর্ম দারাজ ও মোবাইল ফোন অপারেটর রবি। দারাজ ও রবি এই ইভেন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশে নিয়ে এলো ব্ল্যাক ফ্রাইডের কনসেপ্ট ফাটাফাটি ফ্রাইডে নামে। ইভেন্টটি ঘিরে সবার মাঝে বিপুল উৎসাহ এবং উদ্দীপনা ছিল উল্লেখযোগ্য। কাস্টমারদের বিপুল উৎসাহের কারণে দারাজ ও রবি ফাটাফাটি ফ্রাইডের সময় আরও বাড়িয়ে আজ ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ইভেন্টে রবি দিচ্ছে সিম্ফনি এক্সপ্লোরার এইচ ১৫০ এবং এক্সপ্লোরার ভি ৫০-এর ওপর ৪৭% পর্যন্ত এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট। এছাড়াও মোবাইল ফোনে রবি দিচ্ছে বান্ডেল অফার। দেশের প্রতিটি রবি ওয়াক ইন সেন্টারে থাকছে দারাজের প্রতিনিধি যারা স্মার্টফোন এবং রবি বান্ডেল অফার ক্রয় করতে কাস্টমারদের সর্বদা সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করছে আজ ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ফাটাফাটি ফ্রাইডেতে স্মার্টফোনের জন্য থাকছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়, কম্পিউটিংয়ের জন্য থাকছে ৪০% পর্যন্ত ছাড়, হোম এমপ্লায়েন্সের জন্য থাকছে ৩৫% পর্যন্ত ছাড়, এছাড়াও ৭০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে ফ্যাশনের জন্য, খুবই সীমিত স্টকে আরও দুই দিনের জন্য। - বিজ্ঞপ্তি

টাকা না দেয়ায় মর্গ থেকে লাশ নিতে ২৮ ঘণ্টা!

স্টাফ রিপোর্টার ॥ এবার টাকা না দেয়ায় হাসপাতাল মর্গে মরদেহ আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গ অফিস মৃত্যুসনদ আটকে মরদেহ হস্তান্তরে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করার অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার। তাদের অভিযোগ, টাকা না দেয়ায় মৃত্যুর ২৮ ঘণ্টা পর স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। শনিবার দুপুর ১২টায় মারা গেলেও রবিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে বেলা ৩টায় পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

জানা যায়, মৃত ব্যক্তির নাম আতিক (২৮), পিতার নাম আব্দুর রশিদ। বাড়ি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চারিপাড়া গ্রামে। মৃতের চাচাত ভাই আব্দুল কাদিরসহ নিকটতম আত্মীয়রা জানান, গত ২১ নবেম্বর তাদের গ্রামের বাড়িতে পারিবারিক কলহের জের ধরে বড় ভাই তার ছোট ভাই আতিকের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। পরে তাকে আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতাল ও পরে ২৪ নবেম্বর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার দুপুর ১২টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আতিক মারা যান। মৃত্যুর পরপরই ডেথ সার্টিফিকেট দেয় মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ। পরে সার্টিফিকেট নিয়ে ওয়ার্ডবয়সহ আতিকের এক আত্মীয় মর্গ অফিসে যান।

মর্গ অফিসে থাকা ফর্সা লম্বা এক ব্যক্তি জানান, এখন ডাক্তার পুলিশ কেউই নেই। এখন মরদেহ নেয়া যাবে না।

নির্বাচিত সংবাদ