১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাঙ্গুনিয়ায় প্রার্থী ও বিদ্রোহী সম্পর্কে শ্বশুর-জামাই

নিজস্ব সংবাদদাতা, রাঙ্গুনিয়া, ৬ ডিসেম্বর ॥ রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে প্রচ- চাপে পড়েছে। এতে বিভাজন হয়ে পড়েছে দুই দলের সাধারণ নেতাকর্মী। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থী একে অপরের শ্বশুর-জামাই হওয়ায় সাধারণ ভোটাররা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছে। আওয়ামী লীগ থেকে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শ্বশুর শাহজাহান সিকদারকে মনোনয়ন দেয়া হয়।

মনোনয়নে ব্যর্থ হয়ে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক জামাই কামরুল ইসলাম চৌধুরী। এর আগে বর্তমান মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কামরুল ইসলাম চৌধুরীর চাচা খলিলুর রহমান চৌধুরী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও পরে ভাতিজা কামরুল ইসলাম চৌধুরীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন না করার ঘোষণা দেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার দলীয় প্রার্থী শাহজাহান সিকদারের পক্ষে থাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভাজন প্রকাশ্যে রূপ নিচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পৌর কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন শাহ।

তিনি যুদ্ধাপরাধী রাঙ্গুনিয়ার সাবেক এমপি সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী পরিবারের প্রার্থী বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতস্ত্র থেকে নির্বাচন করছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক পৌর মেয়র নুরুল আমিন ও সাবেক পৌর কমিশনার বিএনপি নেতা মফিজুল ইসলাম। এছাড়া ইসলামী ফ্রন্ট থেকে পৌর ইসলামী ফ্রন্টের আহ্বায়ক আবদুর রহমান জামী, স্বতন্ত্র থেকে ইমাম হোসেন, মোজাম্মেল হক নির্বাচন করছেন।

তারাব পৌরসভা ॥ সকালে বাতিল, সন্ধ্যায় বৈধ

নিজস্ব সংবাদদাতা, রূপগঞ্জ, ৬ ডিসেম্বর ॥ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাব পৌরসভার নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ওই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের তালিকায় থাকলেও প্রভাবশালীদের তদবিরে সন্ধ্যায় তা বৈধ করে দেয়া হয়। ওই প্রার্থীর মনোনয়নপত্রটি নাড়াচাড়া করা হয়েছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিস এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। নির্বাচন অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাউন্সিলর প্রার্থী পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিকের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। মামলার তথ্য গোপন করার অভিযোগে আতিকুর রহমান আতিকের মনোনয়নপত্র বাতিলের তালিকায় রাখা হয়।

এরপর বিভিন্ন অভিযোগে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুল মতিন ভুইয়া, মতিউর রহমান মতি, রুবেল ভুইয়া, আশরাফুল ও শাহিনার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেয়া হয়।

দুপুর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাতিলের তালিকায় থাকলেও দুপুরের পর থেকে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রভাবশালীরা বাতিল কাউন্সিলর প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিকের পক্ষে তদবির করতে থাকে। সন্ধ্যায় যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্বে কর্মকর্তারা বাতিলের তালিকায় থাকা আতিকুর রহমান আতিকের মনোনয়নপত্রটিকে বৈধ বলে ঘোষণা করেন।