১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঠাকুরগাঁওয়ে চলছে কর্মী গোছানো

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও ॥ ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টি পৌরসভা নির্বাচনে তিন বড় রাজনৈতিক দলের মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থীরা নির্বাচনী কর্মী বাহিনী গড়ে তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রার্থীদের তাঁদের মনোনয়নপত্র দাখিলের ঝামেলা মিটে যাওয়ার পর তাঁরা এখন নির্বাচনী কর্মী বাহিনী গোছাতে নেমে পড়েছেন।

ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় মেয়র প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী জেলা যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক তাহমিনা আখতার মোল্লা, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সোলেমান আলী সরকার, স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা আব্দুল হাকিম জিহাদী, বিএনপি থেকে পদত্যাগ করা স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সারোয়ার রঞ্জু চৌধুরী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহফুজুল ইসলাম।

এদিকে, রানীশংকৈল পৌরসভায় মেয়র প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের আলমগীর সরকার, বিএনপির অধ্যাপক শাহজাহান আলী, জাতীয় পার্টির সামসুল আরেফিন, স্বতন্ত্র জামায়াত নেতা মোকারম হোসেন, প্রগতিশীল প্রার্থী এনামুল হক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইফতেখার আলম।

পীরগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামীলীগ মনোনীত সাবেক মেয়র কসিরুল আলম, একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আলমগীর কবির, বিএনপি মনোনীত এবং বর্তমান পৌর মেয়র রাজিউর রহমান, উপজেলা জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম, জাপার সাবেক পৌর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন।

পৌরসভার একাধিক ভোটারের সঙ্গে কথা হলে তাঁরা বলেন, এবার ভোটযুদ্ধ হবে মূলত তিনটি বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাপা (এ) মনোনীত প্রার্থীর মধ্যে। এ তিন রাজনৈতিক দলের তিন প্রার্থীই এবার নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী।

পীরগঞ্জ পৌরসভার জাপা মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী গোলাম হোসেন বলেন, ‘বাছাইয়ের পর্বটি শেষ হয়েছে। মার্কা পেলে ভালোভাবে নির্বাচনের কাজে নামব। এখন ওয়ার্ড-মহল্লা থেকে নির্বাচনী কর্মী বেছে বের করতে শুরু করেছি। এ পৌসভায় আমরা তিনজনই পরিচিত মুখ। পৌরবাসী আমাদের সবাইকে জানেন। জনগণ আমাকেই ভোট দেবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।’

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র রাজিউর রহমান বলেন, ‘আমি পাঁচ বছর ধরে পৌরবাসীর সঙ্গে আছি। আমি পৌরসভায় পরিচিত মুখ। পাঁচ বছরে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। প্রায় ১৫ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ চলমান। আমি নির্বাচিত হলে আরও অনেক কাজ উপহার দিতে পারব।’

আওয়ামী লীগের প্রার্থী কশিরুল আলম বলেন, ‘আমি পাঁচ বছর পৌরসভার মেয়র ছিলাম। আমার আমলে তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে পীরগঞ্জ পৌরসভা। এখন যত উন্নয়নকাজ হচ্ছে সব কাজের সূচনা আমার আমল থেকে। এখন আমি ওয়ার্ড-মহল্লায় নির্বাচনী কর্মী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে নিজের প্রচারণার কাজ গুছিয়ে নিচ্ছি। ভোটের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। কারণ, আমি মেয়র থাকাকালে পৌরসভাটিকে মাদকমুক্ত এলাকায় পরিণত করেছিলাম।’