২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত নৌকা প্রতীক বরাদ্দের চিঠি দেয়া শুরু

  • পৌরসভা নির্বাচন

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়রপদে চূড়ান্ত মনোনয়নপ্রাপ্তদের মধ্যে ‘নৌকা’ প্রতীক বরাদ্দের চিঠি প্রদান করেছে আওয়ামী লীগ। সোমবার দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত প্রতীক বরাদ্দের চিঠিগুলো প্রার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। ধানম-ির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে দিনভর দলীয় মেয়র প্রার্থীরা এ চিঠি সংগ্রহ করেন। আর যারা উপস্থিত হতে পারেননি তাদের প্রতিনিধি মারফত চিঠিগুলো সারাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এদিকে গত কয়েক দিন ধরে আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা দফায় দফায় যোগাযোগ করেও অধিকাংশ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বাগে আনতে পারছেন না। ‘নরম-গরম’ কথা বলে বিদ্রোহী প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হলেও বেশিরভাগ বিদ্রোহী এখনও অনড় অবস্থানে। হাতেগোনা কিছু বিদ্রোহী প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ব্যাপারে সম্মতি জানালেও এখনও বিপুলসংখ্যক বিদ্রোহী নির্বাচনী মাঠে থাকায় অনেকটাই হতাশা ব্যক্ত করেছেন এসব নেতা।

ধানম-ির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত ‘নৌকা’ প্রতীক বরাদ্দের চিঠি প্রদান শুরু হয়। ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ঢাকা বিভাগের, রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন রাজশাহী বিভাগের, বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বরিশালের প্রার্থীদের, রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী রংপুরের এবং খুলনা বিভাগের দলীয় মেয়র প্রার্থীদের হাতে কেন্দ্রীয় নেতা এএসএম কামাল হোসেন চিঠিগুলো তুলে দেন।

এদিকে সোমবারও বিদ্রোহীদের বশে আনার চেষ্টায় তৎপরতা চালান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তারা দলীয় সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে সারাদেশের তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা আগামী ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে সব বিদ্রোহী প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন- এমন কথা মুখে বললেও বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

যুবলীগের ২৪টি প্রচার কমিটি ॥ আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে জয়লাভের লক্ষ্যে প্রেসিডিয়াম সদস্যদের আহ্বায়ক করে ২৪টি নির্বাচনী প্রচার কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগ। এই কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা টিম স্থানীয় শাখাসমূহকে সম্পৃক্ত করে আগামী ১৩ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত যুবলীগের পক্ষ থেকে নির্বাচন পরিচালনার সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন।