২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আসছে নির্বাচন ॥ অপেক্ষায় মাইক ও প্রেস ব্যবসায়ীরা

মামুন-অর-রশিদ, রাজশাহী ॥ পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থী বাছাইয়ের পর প্রচারের মাত্রা বেড়েছে রাজশাহী অঞ্চলে। এখন প্রতীক বরাদ্দের পরই আনুষ্ঠানিক প্রচারে নেমে পড়বে প্রার্থীরা। তবে দলীয় মনোনীত প্রার্থীরা বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নির্বাচনী প্রতীক নৌকা ও ধানের শীষের প্রচার শুরু করেছে।

আগামী ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের দিন রয়েছে। তারপরেই শুরু হবে প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধ। এখন প্রার্থীরা রীতিমতো প্রচারের কৌশল নির্ধারণের চেষ্টায় ব্যস্ত। আনুষ্ঠানিক প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রার্থী ও সমর্থকরা।

এদিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ছাপাখানা এবং মাইকের দোকান মালিকরা। নির্বাচন উপলক্ষে পোস্টার এবং লিফলেট ছাপার জন্য ছাপাখানা মালিক কাগজ, কালিসহ ছাপার উপকরণ স্টক করছে। মাইক ব্যবসায়ীরা তাদের মাইক মেরামতের পাশাপাশি নতুন মাইক সংগ্রহ করছে। ভোটের মৌসুমে যাতে নির্বিঘœভাবে কাজ করা যায় তার জন্য চলছে যতো আয়োজন। ব্যবসার ভাল মৌসুম বলে মনে করছে তারা।

রাজশাহী নগরীর স্বাগতম অফসেট প্রেসের স্বত্বাধিকারী মুন্না দাস জানান, তারা প্রার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী কাজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তারা আশা করছেন প্রতীক বরাদ্দের পর পুরোদমে কাজ শুরু হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটে সাদাকালো পোস্টার করা হবে। মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থীরা ভোটের আগে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টার লিফলেট ছাপিয়েছে। তারা এমন দুই ডজন প্রার্থীর পোস্টার ছেপেছেন। বাজারদর অনুযায়ী ১৫ ইঞ্চি বাই ২০ ইঞ্চির পোস্টার প্রতিহাজার ছাপা যাবে ১৫০০ টাকায়। এছাড়া ১৮ ইঞ্চি বাই ২৩ ইঞ্চির পোস্টার ছাপা যাবে প্রতিহাজার ১৮০০ টাকায়। তবে কেউ যদি এক হাজার পোস্টার এবং দুই হাজার লিফলেট একই সঙ্গে পেতে চায় তবে তাকে ১৮০০ টাকায় তা করে দেয়া সম্ভব।

নগরীর মাইক ব্যবসায়ী এয়ার মোল্লা জানালেন, তারা সাধারণত রাজশাহী মহানগরী থেকে বাইরে মাইক পাঠান না। তবে বিশেষ পরিচিত কেউ হলে তার জন্য সে এলাকায় ব্যবস্থা করছেন। পৌর এলাকার ব্যবসায়ীরা ক্ষেত্র বিশেষে তাদের কাছে মাইকসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে থাকেন। এবার প্রতিদিন প্রচারণার জন্য মাইক প্রতি ভাড়া পড়তে পারে পাঁচ থেকে আটশত জানালেন তিনি। তার মতে ভোটের প্রচারে তাদের বাড়তি ব্যবসা হয়। এ ব্যবসা তারা হাতছাড়া করতে চান না।

এবার রাজশাহী জেলার ১৩ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে বর্তমানে ভোটের মাঠে রয়েছেন ৬০, কাউন্সিলর প্রার্থী ৪৮৫ ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছে ১৩৯ জন।