২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পৌর নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না, গণতন্ত্রের স্বার্থে অংশগ্রহণ - ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আন্দোলন ও গণতন্ত্রের স্বার্থে এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে বিএনপি। তবে শেষ পর্যন্ত বিএনপি পৌর নির্বাচনে থাকবে কি না, তা পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে দলের যৌথসভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে বিএনপির প্রায় পাঁচ হাজার কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনেক সিনিয়র নেতা কারাবন্দী আছেন। সরকার প্রতিদিনই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে। এটা সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষণ নয়। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের আচরণে মনে হচ্ছে পৌর নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। তারপরও আশা করা হচ্ছে, জনগণ তাদের ভোট দিতে পারবে। এখন প্রশ্ন উঠবে, তাহলে আপনারা নির্বাচনে যাচ্ছেন কেন? এ জন্য যাচ্ছি যে, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং একটি উদার গণতান্ত্রিক দল হিসেবে গণতান্ত্রিক উপায়েই পরিবর্তন আনতে চাই। আমরা চাই বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে মুক্তি ও তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা হোক।

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মতো পৌর নির্বাচনে বিএনপির সরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া রাজনৈতিক কৌশল। কে কখন কোথায় নির্বাচন থেকে সারে দাড়াবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। তিনি বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এম কে আনোয়ার, চেয়াপার্সনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ, অধ্যাপক এম এ মান্নান, দলের নেতা সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছসহ অনেক নেতা কারাগারে রয়েছেন। এ ছাড়াও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকায় বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, পৌর মেয়র ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের বরখাস্ত করা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। এ থেকে বোঝা যায় গণতন্ত্র কোন অবস্থায় বিরাজ করছে।

যৌথসভা ও সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, দলের যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, মজিবুর রহমান সারোয়ার, যুববিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান আসাদ, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ওলামা দলের সভাপতি এম এ মালেক, জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মনির খান প্রমুখ।