২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিদ্রোহীদের ব্যথা দূর করতে রাজনৈতিক ব্যবস্থা

বাবু ইসলাম, সিরাজগঞ্জ ॥ আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু না হলেও সিরাজগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনীত ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রাথীরা মাঠে নেমেছে কোমর বেঁেধে। প্রচারণাও শুরু করেছেন। তবে প্রচারে ইতোমধ্যেই জোয়ার উঠেছে নৌকার। সিরাজগঞ্জ সদর পৌরসভার আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তার নৌকা পৌর এলাকার ঘরে ঘরে পৌছে গেছে। অন্য প্রার্থীরাও বসে নেই। তবে প্রচারে তেমন উত্তাপ নেই, যেমনটা নৌকার উত্তাপ ছড়িয়েছে। সিরাজগঞ্জ সদর পৌরসভার নির্বাচনে এবারের হিসেব একটু ভিন্নমাত্রা পেয়েছে বলে ভোটাররা জানিয়েছেন। ভোটাররা চান যাকে ভোট দিলে বিপদে আপদে কাছে পাওয়া যাবে, যিনি জনহিতকর কাজে নিজেকে নিয়োজিত করবেন, এলাকার উন্নয়ন এবং জনকল্যাণে কাজ করবেন এমন মানুষটিকেই তারা বেছে নিতে চান, তাদের ঐতিহ্যবাহী সিরাজগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পছন্দ হতে পারে বেশিরভাগ ভোটারের কাছে। কেননা সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তার জনহিতকর কাজের দৃশ্যমান চিহ্ন রয়েছে সিরাজগঞ্জ শহরে। দলের নিরঙ্কুশ সমর্থন নিয়ে তিনি নৌকা প্রতীক পেয়েছেন। তিনি মেয়র পদে নতুন মুখ। অন্য যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন তাদের দু’জন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এ্যাডভোকেট মোকাদ্দেস আলী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী টিআরএম নুরে আলম হেলাল ইতোমধ্যেই মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই পাড়া ও মহল্লায় সভা-সমাবেশ করছেন, দলীয় কর্মীরাও মাঠে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মী বাহিনী দৃশ্যমান থাকলেও জামায়াতের কোন দৃশ্যমান তৎপরতা নেই। তবে শোনা যাচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক হলেও জামায়াত সিরাজগঞ্জ পৌর নির্বাচনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষাবলম্বন করেছে।

দলীয়ভিত্তিক প্রথম পৌরসভা নির্বাচনে জেলার ৬ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ একক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভোটের আগে ভোট দিয়ে একক প্রার্থী কেন্দ্রের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছিল। দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলে বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে নেই। দলের হাইকমান্ডের কড়া নির্দেশনায় মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে একক প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে মাঠে নেমেছে। মনে কষ্ট থাকলেও তা রাজনৈতিক মালিশ দিয়ে ব্যথা দূর করেছেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এবারের পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, বাসদ, ইসলামী ঐক্যজোট আন্দোলন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এলডিপির ২৮ মেয়র প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে।