২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাঙ্গামাটিতে আ’লীগ ও বিএনপির ৮৩ বিষফোঁড়া

নিজস্ব সংবাদদাতা, রাঙ্গামাটি, ৮ ডিসেম্বর ॥ আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে পর্যটন শহর রাঙ্গামাটিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিষফোঁডা হয়ে দাঁড়িয়েছে উভয় দলের বিদ্রোহী তিন মেয়র প্রার্থী। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে দল মনোনীত প্রার্থীদের পাশাপাশি দলের বিদ্রোহী তিন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় তারা আগের চেয়ে আরও বেশি উজ্জীবিত হয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এ নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

পাহাড়ী শহর রাঙ্গামাটি পৌরসভায় এবার ৭ মেয়র প্রার্থী ভোটযুদ্ধের বৈতরণী পার হওয়ার জন্য দলবল নিয়ে মাঠে নেমেছে। যুবলীগের সভাপতি আকবর হোসেন চৌধুরীকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছে। বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে বর্তমান মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টুকে। জাতীয় পার্টি থেকে দাঁড়িছেন শিব প্রসাদ মিশ্র। আর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির পক্ষ থেকে পৌর মেয়র প্রার্থী হিসেবে ডাঃ গঙ্গা মানিক চাকমাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের ২ বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থীর মধ্যে সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান দলের দুর্দিনে দলের পাশে না থেকে দীর্ঘদিন ধরে জেলার বাইরে ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ান। এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দলের অপর প্রার্থী অমর কুমার দে স্বতন্ত্র প্রার্থী।

অপরদিকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ায় বর্তমান কাউন্সিলর রবিউল আলম রবি। এরা তিন বিদ্রোহী প্রার্থী প্রতীক না পেয়েও সকলের দোয়া চেয়ে শহরের অলিগলিতে চষে বেড়াচ্ছেন। আগামী ১৩ ডিসেম্বর যদি উভয় দলের এই তিন বিষফোঁড়া তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করে তাহলে রাঙ্গামাটি পৌরসভার নির্বাচনের ফসল স্বতন্ত্র কারও ঘরে উঠবে বলে সচেতন মহলের ধারণা।

ঈশ্বরদীতে মেয়র প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিস

স্টাফ রিপোর্টার, ঈশ্বরদী ॥ আ’লীগ থেকে মনোনীত মেয়র প্রার্থী পৌর আ’লীগ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিন্টু বর্তমান মেয়র বিএনপি থেকে মনোনীত মেয়র প্রার্থী মকলেছুর রহমান বাবলুর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঙ্ঘনের অভিযোগ দাখিল করেছেন। আবুল কালাম আজাদ মিন্টু ঈশ্বরদী রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, পৌর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিএনপিদলীয় মেয়র পদপ্রার্থী মকলেছুর রহমান বাবলু বিভিন্ন পত্রিকায় বিগত ২০১১-১২ থেকে ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকা-ের ফিরিস্তি বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করেছেন।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে পৌরসভার লোগো ব্যবহার করে নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। অভিযোগে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান। এদিকে অভিযোগ পাওয়ার পর ঈশ্বরদী রিটার্নিং ও জেলা নির্বাচন অফিসার সাইফুল ইসলাম গত ৭ ডিসেম্বর বিএনপিদলীয় মেয়র প্রার্থী মকলেছুর রহমান বাবলুর নিকট ঈশ্বরদী পৌরসভা মেয়র পদের প্রার্থী হয়ে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করা সংক্রান্ত আওয়ামী লীগদলীয় প্রার্থীর অভিযোগের ব্যাখ্যা চেয়ে পত্র দিয়েছেন। বাবুলকে কারণ দর্শানোর জন্য ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেয়া হয়।

খেলার মাঠ থেকে দুই সংগঠক নির্বাচনের মাঠে

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা, ৮ ডিসেম্বর ॥ পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই ক্রীড়া সংগঠক মুখোমুখি যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। তাদের একজন জেলা ক্রীড়া সংস্থার বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির মিলন, অপরজন ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহীদুজ্জামান শহীদ। মিলন বর্তমানে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। শহীদ দু-দু’বার ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মিলন বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার এ্যাডভোকেট শাহ আব্দুল হামিদের নাতি এবং সাবেক সংসদ সদস্য বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবিরের ছেলে। মিলন ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও ঘাঘট ক্রীড়া চক্রের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জেলা যুবলীগের সভাপতি এবং নবনির্বাচিত গাইবান্ধা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নির্বাহী কমিটিরও সদস্য তিনি। শহীদুজ্জামান শহীদ বর্তমানে শহর বিএনপির সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সানরাইজ স্পোটিং ক্লাবের সভাপতি।

অবমাননাকর প্রতীক বরাদ্দের প্রতিবাদে স্মারকলিপি

স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম থেকে ॥ সংরক্ষিত নারী আসনে কাউন্সিলরদের অবমাননাকর প্রতীক বরাদ্দের প্রতিবাদ জানিয়েছে কুড়িগ্রাম জেলা মহিলা পরিষদ। সম্মানজনক প্রতীক বরাদ্দের দাবিতে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসক খান নুরুল আমিনের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রওশন আরা চৌধুরী, জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রতিমা চৌধুরী, মমতাজ আরা চৌধুরী শিল্পী, নাসরিন বেগম প্রমুখ।