২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতেই বিজয় মেলা ॥ মহিউদ্দিন

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের আত্মত্যাগে ১৯৭১ সালে যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত এ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা অন্যান্য উৎসবের মতো বাঙালীর একটি সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। এ উৎসব শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা নয়, বর্তমান প্রজন্মকে অসাম্প্রদায়িক ও উন্নয়নমুখী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সম্পৃক্ত করে নানাভাবে প্রণোদনা দেয়া এবং তাদের মিথ্যাচার ও ইতিহাস বিকৃতির অপঘাত থেকে উদ্ধার করা। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রামে এমএ আজিজ স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে অস্থায়ী মঞ্চে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিজয় মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী এসব কথা বলেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বহু প্রতিকূলতা ডিঙ্গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা ২৭ বছরে পর্দাপণ করেছে। ১৯৮৯ সালে শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা বিভিন্ন সময় বাধাগ্রস্ত হয়েছে। একটা সময় ছিল মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি নানাভাবে কোণঠাসা ছিল। তখন ঘরে বাইরে শত্রুরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ছোবল দিচ্ছিলো। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার মাঠও ছিনতাই হয়েছিলো। তবুও এ আয়োজন থেমে থাকেনি।

মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, শুধু বক্তৃতা, সেমিনার, আনুষ্ঠানিকতা নয়, দেশ ও জাতিকে ভালবাসতে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে এবারের মেলায় নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ছাত্র, যুবক, শিশু, কিশোর, নারী, মুক্তিযোদ্ধ, শ্রমিকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে সাতটি স্কোয়াড। জঙ্গীবাদ এবং মৌলবাদের বিরুদ্ধে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের জন্য তাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে। চট্টগ্রামকে সবুজ নগরী বানাতে নতুন প্রজন্মের হাতে তুলে দেয়া হবে দেড় লাখ গাছের চারা। পথশিশুদের দেয়া হবে অক্ষর জ্ঞান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১০ ডিসেম্বর বিজয়শিখা প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়মেলার উদ্বোধন হবে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে এটির উদ্বোধন করবেন। তবে ১ ডিসেম্বর থেকে আউটার স্টেডিয়ামে বিজয় মেলার পণ্যমেলা শুরু হয়েছে। আউটার স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত এ মেলায় প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শক ভিড় করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব মোঃ ইউনূস, বদিউল আলম, কো-চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ইউনিট কমান্ডার মোঃ সাহাবউদ্দিন ও মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা অমল মিত্র, সিএনসি জাহাঙ্গীর চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সুনীল সরকার, এ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান, নগর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ প্রমুখ।

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া