২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গণতন্ত্রের স্বার্থে পৌর নির্বাচনে যাচ্ছি ॥ খালেদা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ পৌর নির্বাচন লোক দেখানো ও প্রহসনের বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেছেন, তারপরও আমরা নির্বাচনে গিয়েছি গণতন্ত্রের স্বার্থে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুলশানের নিজের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এ দাবি করেন তিনি। এ সময় বিগত আন্দোলনে গুরুতর আহত ছাত্রদলের কয়েক সদস্যকে সুচিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশে জঙ্গীবাদের উত্থান ঘটে। বিএনপি সন্ত্রাসে বিশ্বাস করে না, জঙ্গীবাদে বিশ্বাস করে না। শায়খ আব্দুর রহমান থেকে শুরু করে বাংলাভাইকে আমরা ধরে বিচার করেছি। বিচার করে শাস্তি দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, নেশা আসক্ত কিছু লোককে র‌্যাব আটক করে। পরে তাদের ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে দেয়া হয় না। পরে তাদের চুল-দাড়ি বড় হলে মানুষের সামনে হাজির করে বলা হয়, জঙ্গী আটক করা হয়েছে। আসলে তারা নিরীহ লোক।

দেশবাসীকে জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি প্রধান বলেন, এভাবে দেশ চলতে পারে না। আপনারা আর কবে জাগবেন। কবে আপনাদের বিবেক নাড়া দেবে।

খালেদা জিয়া বলেন, এ নির্বাচন কমিশন অথর্ব। তাদের দ্বারা সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন কমিশন সরকারের পদলেহী। পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বিএনপির প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে পুলিশ ও ছাত্রলীগ দিয়ে বাধা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে রংপুরে আমাদের নেতা মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেনকে গুম করা হয়েছিল। পরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের আন্দোলনের মুখে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। আল্লাহ যদি থেকে থাকেন তবে এর বিচার হবে। আমরা আল্লাহর কাছে বিচার পাব।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, পুলিশকে ভয় দেখানো হয় বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চাকরি থাকবে না। কিন্তু তারা তো কোন অপরাধ করেননি। আমি পুলিশ বাহিনীকে বলতে চাই, সামরিক বাহিনীকে বলতে চাই আপনারা এ দেশের সন্তান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস-চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এনাম আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম-মহাসচিব মোঃ শাহজাহান, আফরোজা আব্বাস।