২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আইএসের ফাঁদে পা দেননি ওবামা

ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিস্তার রোধ কিভাবে করা যায় এ ব্যাপারে পাশ্চাত্যের রাজধানীগুলোতে চলছে বিতর্ক। জঙ্গীরা তাদের পক্ষ থেকে একটা বিষয় ধৈর্যের সঙ্গে স্পষ্ট করেছে যে, তারা চাইছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীরা স্থলযুদ্ধে অবতীর্ণ হোক। যুক্তরাষ্ট্র যখন প্রথম ইরাকে হামলার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন ওই উদ্যোগে সবচেয়ে উৎসুকদের অন্যতম ছিলেন আবু মুসাব আল জারকারি।

তিনিই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সন্ত্রাসী সেনা এবং উদ্দেশ্য ছিল এ সেল একদিন রূপান্তরিত হবে আইএসে। তিনি ২০০৩ সালের ওই মার্কিন হস্তক্ষেপকে আশীর্বাদ বলে অভিহিত করেন উত্তেজনার সঙ্গে। তার প্রতিক্রিয়া থেকে এ আভাস পাওয়া যায় যে, বর্তমানে ইরাক ও সিরিয়ার বিস্তৃত এলাকার দখলে থাকা সন্ত্রাসী গ্রুপকে উৎসাহিত করতে অন্যতম মূল ভূমিকা রেখেছেন তিনি। তবে তার ওই প্রতিক্রিয়াকে গুরুত্ব দেয়নি কেউ কেউ এবং তার বক্তব্যকে বাগাড়ম্বর বলে বাতিল করে দেয় কেউবা। সন্ত্রাসী গ্রুপটি ধর্মগ্রন্থের মূলপাঠের আদর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ত, যাতে বলা হয়েছে- এক মহাপ্রলয়তুল্য লড়াইয়ের পর ইসলাম বিজয়ী হবেই। প্রেসিডেন্ট ওবামা রবিবার এক ভাষণে বলেছেন, আইএসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একটি টেকসই বিজয় অর্জনের জন্য উদ্যোগ নেয়া উচিত।

যুক্তরাষ্ট্র এ লক্ষ্যে বিমান হামলা অভিযানে জড়িত হয়েছে এবং মূল হামলার জন্য নতুন প্রজন্মের আমেরিকান সৈন্যদের না পাঠিয়ে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইরত স্থানীয় সৈন্যদের প্রতি সমর্থন দিচ্ছে। প্যারিসে সায়েন্সেস পোয়ে কর্মরত মধ্যপ্রাচ্য অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ও এ্যাপোকালিপস ইন ইসলামের লেখক জাঁ পিয়ারে ফিলিউ বলেছেন, আমি বারবার বলে এসেছি, স্থলযুদ্ধ আমাদের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক এক ফাঁদে পা দেয়ার মতো হবে। তারা স্থলসৈন্যদের চাইছে। কারণ তারা এর মধ্যেই ভবিষ্যত পরিস্থিতি ভেবে রেখেছে।

ইসলামিক স্টেটকে কিভাবে দমন করা যায় এ ব্যাপারে ব্যাপক বিতর্ক চলছে। যুক্তরাষ্ট্রে চলছে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি। রিপাবলিকানরা চাইছেন স্থল হামলা চালাতে। কিন্তু প্রবীণ বিশ্লেষকরা সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেছেন, স্থল হামলা আইএসের ভবিষ্যত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা যোগাবে। -ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক টাইমস