২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আচরণে মানবাধিকার কমিশনের হতাশা

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আচরণে মানবাধিকার কমিশনের হতাশা

অনলাইন ডেস্ক ॥ বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আচরণ নিয়ে ‘হতাশা’ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন অনেক সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের দিক থেকে ‘কাঙ্ক্ষিত সাড়া’ পাওয়া যায় না।

বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে বিবিসি বাংলার সাথে এক সাক্ষাৎকারে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। এ বছরের শ্লোগান--"আমাদের অধিকার-আমাদের স্বাধীনতা-সবসময়"।

বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলোর বিরুদ্ধে নানা সময় আটক, নির্যাতন এবং নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ শোনা যায়।

সেক্ষেত্রে ভুক্তভোগিরা মানবাধিকার কমিশনের কাছে গিয়ে কি কোন প্রতিকার পায়? কিংবা মানবাধিকার কমিশন তাদের সহায়তার জন্য কী করছে?

কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অধিকারের বাংলাদেশের অবস্থান ভালো হলেও নাগরিক এবং রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে।এটি একটি চিন্তার কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মানুষকে বিনা অপরাধে আটক করা, হয়রানি করা এবং নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে। মি: রহমান বলেন মানবাধিকার কমিশন এ ধরনের অনেক অভিযোগ পেয়েছে।

তিনি বলেন, যখন এধরনের অভিযোগ আসে তখন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তদন্তদের দাবী করে চিঠি দেয়া হয়। যাতে করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত করে সেই প্রতিবেদন মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করে।

কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে আমরা যে ধরনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে থাকি, দু:খজনক হলেও সত্য সে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পেয়ে আসছি বলে আমরা দাবী করতে পারছিনা। বিভিন্ন সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের আচরণে এক ধরনের কষ্ট তৈরি করেছে।”

“কিছু কিছু অভিযোগের ক্ষেত্রে হয়তো এক বছর কিংবা দু’বছর পত্র দিয়ে তাগিদের পর তাগিদ দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু নানা অজুহাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমাদের নির্দিষ্ট কোন প্রতিবেদন দাখিল করছে না।”

তিনি অভিযোগ করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে এক ধরনের ‘ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ’ কাজ করছে। তারা সকল সময় আইন অনুযায়ী কাজ করছে না বলে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিজের হাতে আইন তুলে নিয়েছিল।বিভিন্ন অজুহাতে তারা আইনকে নিজের মতো করে ব্যবহার করেছে।

এখন রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের অতীত ভুল বুঝতে সক্ষম হয়েছে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা